Thursday, July 25, 2013

হিংস্র হয়ে উঠেছেন রনির শশুর

পটুয়াখালি : রনির খবর যাতে তার গ্রামবাসী টিভিতে না দেখতে পারে সে জন্য তার শশুর এলাকায় তান্ডব চলিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, আজ সকালে রনির নির্বাচনী এলাকায় তার শশুর সন্ত্রসী বাহিনী নিয়ে স্থানীয় বাজারে হামলা চালায়।

তিনি স্থানীয় আ’লীগ নেতাদের বাড়িতেও হামলা করেছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় আ’লীগ এ নিয়ে জরুরী সভা ডেকেছে।

উল্লেখ্য, গোলাম মওলা রনিকে আদালতে নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তাকে আদালেতে নেওয়া প্রক্রিয় শুরু হয়। সোয়া ১২টায় তাকে আদালতে নেয়া হয়।

সাংবাদিক মারধরের মামলায় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনিকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গ্রেফতার করে মহানগর ডিবি পুলিশ। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

নারী ও যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটসহ ভুয়া আর্মির কর্নেল ও ক্যাপ্টেন আটক

রাঙামাটি: বিশেষ বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থার নামে সেনাবাহিনীর ভূয়া কর্নেল ও ক্যাপ্টেন সেজে প্রতারণার অভিযোগে তিন প্রতারককে আটক করেছে যৌথবাহিনী।

 বৃহস্পতিবার রাঙামাটি শহরের মাঝেরবস্তি এলাকার বাসিন্দা নাছিরের ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো, কুমিল্লা জেলার ছোটরা ডিসি রোডের বাসিন্দা কর্ণেল পরিচয়দানকারী মো. সাগর বোগদাদী (৬০), ক্যাপ্টেন পরিচয়দানকারী কুমিল্লা কাপ্তান বাজারের তৌহিদুল ইসলাম ও কাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম এলাকার বাসিন্দা আনু প্রু মারমা।

 আটককৃত অপর তিনজন হলো তুই মং মার্মা (২২), মনির হোসেন (২১) ও মো. সাহাদাৎ হোসেন (২২)। শেষোক্ত দুইজনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার লাকসাম এলাকায় বলে জানা গেছে। তারা তিনজনই চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

 রাঙামাটি পুলিশ বিভাগের এএসপি মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, থানার এসআই প্রহলাদ ও এএসআই সালামত স্থানীয় একটি সূত্রের মাধ্যমে বেশ কয়েকদিন ধরে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করে আসছিল। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ও একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় আমরা তাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছি।

 এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ডিজিটাল ব্যানার ও সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ধরনের ব্যবহৃত সরঞ্জামের পাশাপাশি যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটসহ বেশকিছু কাগজপত্র পাওয়া যায়।


দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে তরুণীর শ্লীলতাহানি

কলকাতা: রাতের অন্ধকারে নয়, দিনদুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় এক তরুণীর শ্লীলতাহানির ঘটনা শহরে৷ এ বার ঘটনাস্থল তপসিয়ায়, পার্ক সার্কাসের চার নম্বর ব্রিজের কাছে৷ রবিবার সকালে এক তরুণীর উদ্দেশ্যে প্রথমে অশ্লীল মন্তব্য ছুড়ে দেয় স্থানীয় এক যুবক৷ তরুণী সরে যেতে চাইলে তাঁর পিছু নেয় ওই যুবক৷ তরুণীর সঙ্গী প্রতিবাদ জানালে নিগ্রহের শিকার হতে হয় তাঁকেও৷ দিনদুপুরে ঘটনাটি ঘটায় ওই তরুণীর পাশে দাঁড়ান পথচারীরা৷ অভিযুক্তকে ধরে ফেলে পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁরা৷ রবিবারই অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়৷ ডিসি (এসইডি) দেবব্রত দাস বলেন, 'ধৃতের নাম মিঠুন বর্ধন (২৫)৷ তার    বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির৩৫৪এ, ৩২৩ ও ৩৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে৷' তবে অভিযুক্ত জামিনে ছাড়া পেয়ে যায়৷

পুলিশ সূত্রের খবর, বাগুইআটির রেলপুকুর এলাকার বাসিন্দা বাইশ বছর বয়সি ওই তরুণী রবিবার সকালে চার নম্বর ব্রিজের কাছে একটি সংস্থায় কাজে এসেছিলেন৷ সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ এক বন্ধুর সঙ্গে তিনি অফিস থেকে বেরোন ৷রাস্তা পেরিয়ে তাঁরা একসঙ্গে বাস ধরতে যাচ্ছিলেন ৷ বন্ধু টিকিছুটা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগে মিঠুন ওই তরুণীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করে ৷ ইতিমধ্যে বিষয়টি নজরে আসে তাঁর বন্ধুর৷ তিনি প্রতিবাদ জানালে মিঠুন তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ ৷