Monday, August 26, 2013

জেল ভেঙে সন্ত্রাসীদের নেয়া হচ্ছে সিরিয়ায়


জেল ভেঙে সন্ত্রাসীদের নেয়া হচ্ছে সিরিয়ায়
টাইমস ওয়ার্ল্ড : সম্প্রতি মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে লিবিয়া, ইরাক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের কয়েকটি কারাগার ভেঙে হাজার হাজার আল-কায়েদা সন্ত্রাসীর পালিয়ে যাওয়ার যে খবর এসেছে তার পেছনে একটি দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর হাত ছিল।

এসব সন্ত্রাসীকে সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পাঠানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে জেল ভাঙার ঘটনাগুলো ঘটে বলে নতুন করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

অস্ট্রিয়ার দৈনিক ডারস্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় একটি দেশের সহযোগিতায় জেল ভাঙার ঘটনাগুলো ঘটেছে। দৈনিকটি ওই দেশের নাম উল্লেখ না করে বলেছে, সিরিয়ায় আল-কায়েদা গোষ্ঠীর সহযোগী সংস্থা আন-নুসরার পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য এসব দাগী অপরাধীকে কারাগার থেকে বের করে আনা হয়েছে।

গত ২৯ জুলাই পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত ডেরা ইসমাইল খান কারাগার ভেঙে অন্তত ২৫০ জঙ্গী পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে আল-কায়েদা গোষ্ঠীর ৪৮ শীর্ষ কমান্ডার ছিল।

এর দু’দিন আগে ২৭ জুলাই লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বেনগাজি শহরের একটি কারাগার ভেঙে পালিয়ে যায় এক হাজারেরও বেশি কয়েদি; এদের বেশিরভাগই ছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য।

ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ আগে ২২ জুলাই ইরাকের তাজি ও আবু গারিব কারাগারে আল-কায়েদার সন্ত্রাসীরা মর্টার ও মেশিনগান দিয়ে হামলা চালিয়ে শত শত সন্ত্রাসীকে বের করে নিয়ে যায়।

ডারস্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় এসব কয়েদিকে এই শর্তে মুক্ত করা হয়েছে যে, তারা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।

আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর দু’বছর পরও এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ততপরতা অব্যাহত থাকার কারণ সম্পর্কে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও তার শাখা-প্রশাখাগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে ইয়েমেন ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের আল-কায়েদা অবস্থানের ওপর ড্রোন হামলা চালু থাকা সত্ত্বেও আল-কায়েদা গোষ্ঠীকে নির্মূল করা যাচ্ছে না।

অস্ট্রিয়ার দৈনিকটি  কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র রেডিও তেহরানকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, আঞ্চলিক দেশগুলো থেকে আল-কায়েদার সন্ত্রাসীদের জড়ো করে সিরিয়ায় পাঠানোর মূল কাজটি করছে সৌদি আরব। এসব সূত্র জানিয়েছে, সৌদি গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স বন্দর বিন সুলতান ব্যক্তিগতভাবে এ কাজের তদারকি করছেন।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স সৌদ আল-ফয়সাল গত ২৫ জুন বলেছিলেন, সিরিয়া সরকারের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে দেশটিতে ততপর আল-কায়েদা সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন।

সন্তানের বাবা হতে পাকিস্তানে নারী ক্রয়

গর্ভ ভাড়া দেবার ব্যবসার খবর এখন বেশ পুরানো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটা হয়ে থাকে। তবে পাকিস্তানের জন্য এ ঘটনা নতুন। দেশটিতে গর্ভ ভাড়া নেওয়া কিংবা কেনা নিষিদ্ধ। অথচ নিষিদ্ধ এই কাজটিই করে বসলেন পাকিস্তানী মুহম্মদ আলি। তিনি ছেলের বাবা হওয়ার আশায় কিনে আনেন ২০ বছর বয়সী এক যুবতীকে।


ছেলে না হওয়ায় দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছিলেন মুহম্মদ আলি। কিন্তু সন্তানের জন্ম দিতে ব্যর্থ হন তার দ্বিতীয়া স্ত্রী। তাই এবার তিনি বিয়ে না করে এক যুবতীকে কিনে আনেন। উদ্দেশ্য ছিল, তাঁর ছেলের জন্ম দেবেন ওই যুবতী। কিন্তু তার আগেই পাঞ্জাব প্রদেশের পুলিশ গ্রেফতার করল ৫০ বছর বয়সী মুহম্মদকে।

মুহম্মদের স্বীকারোক্তি, “আমি দ্বিতীয়া স্ত্রীকে ভালবাসি এবং তাঁকে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম, ছেলের জন্মের পর ওই মেয়েটিকে ছেড়ে দেব। ছেলেকে দ্বিতীয়া স্ত্রীর হাতেই তুলে দেব।”

ছেলে সন্তান জন্ম দেবার আশায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে বেগম নামের ওই যুবতীকে কেনেন তিনি। ভাড়া বাড়িতে দু’জনে এক সঙ্গে থাকতেও শুরু করেছিলেন। এরপর একদিন বেগম বিবি পুলিশকে জানান, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে একটি বাড়িতে আটক করে রেখেছেন মুহম্মদ আলি। শারীরিক ও যৌন নির্যাতনও করেছেন। তার পরেই পুলিশ গ্রেফতার করে মুহম্মদকে

কাপড় পড়ে যৌন দৃশ্যে অভিনয় করা যায়না!

যারা কাপড় পড়ে যৌন দৃশ্যে অভিনয় করে তারা অভিনেত্রী নয়। হলিউড অভিনেত্রী শ্যারন স্টোন-এর মতে, যৌন দৃশ্যে সবকিছু খুলে দিতে হবে। না দিলে পুরো মাত্রার অভিনেত্রী হওয়া যাবে না।

রেডিও স্টেশন ওয়েন’কে তিনি বলেছেন, কোন কোন অভিনেত্রীকে দেখা যায় যৌনদৃশ্যে অভিনয়ের সময় তাদের শরীরের ঊর্ধ্বাংশে টেপ পরা থাকেন। এমনটা দেখে আমি হতাশ। তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে ওই অভিনেত্রী দৃশ্য থেকে নিজেকে আড়াল করেন। তবে তাতে দৃশ্য থেকে প্রকৃতপক্ষে তার মুক্তি মেলে না।

তারকাদের আলোচিত সেক্স স্ক্যান্ডাল

তারকাদের জীবনে স্ক্যান্ডাল কখনো আশীর্বাদ, অভিশাপরূপে আসে। শুধু সেক্স স্ক্যান্ডাল দিয়ে রাতারাতি বড় তারকা বনে গেছেন হলিউডের কিম কার্দেশিয়ানের মতো আরো অনেক তারকা। আবার সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে ক্যারিয়ারে ধস নেমেছে এমন উদাহরণ বাংলাদেশী প্রভাসহ অনেক আছে।


হলিউড কিংবা বলিউডের মতো সেক্স স্ক্যান্ডালের ঘটনা বাংলাদেশের শোবিজে খুব বেশি নেই। যা আছে তাও ফেক। তারকারা অপপ্রচারের বলি। তবে সব আবার ফেক না। সত্য-মিথ্যা মিলে সর্বাধিক আলোচিত ১৫ তারকাদের নিয়ে থাকছে ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কমের এই ধারাবাহিক আয়োজন। আজ থাকছে এর প্রথম পর্ব।

শমী কায়সার:
শমী কায়সার বেশ কিছুদিন থেকে অভিনয়ের বাইরে আছেন। একসময়ে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন শমী কায়সার। শমী কায়সার তার অভিনয় জীবনে সবচেয়ে আলোচিত হন সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে। কলকাতার রিঙ্গোকে ভালোবেসে বিয়ে করেন তিনি। তাদের গোপন ভিডিও বাজারে আসে ২০০৩ সালের দিকে। এসময় সিডি তৈরি করে ব্যবসা করেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

সাদিয়া জাহান প্রভা:
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা যখন দেশের শীর্ষ মডেল ও অভিনেত্রী, ঠিক সেই সময়েই তার একটি ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছাড়েন তার সেই সময়ের হবু বর রাজীব। মুহূর্তেই তা দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাজীব এবং প্রভার বিয়ে পারিবারিকভাবেই চূড়ান্ত হয়েছিলো। সব ঠিকঠাক এগুচ্ছিলোও। তাই অনেকটা দাম্পত্য জীবনের মতোই ছিলো তাদের সম্পর্ক। কিন্তু এর মাঝে অভিনেতা অপূর্বর সাথে প্রভার মনদেয়া নেয়া হলে প্রভা পালিয়ে অপূর্বকে বিয়ে করে বসেন। এরপরই প্রতিহিংসার বশে রাজীব তার হবু স্ত্রী প্রভার একান্ত সময়ের কিছু ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। প্রভার পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছিল। এ নিয়ে তুমুল বিতর্কে পরেন প্রভা। অপূর্বর সাথেও সংসার ভেঙ্গে যায়। ক্যারিয়ারে ধস নামে। দীর্ঘ ২ বছর মিডিয়া থেকে আড়ালে ছিলেন তিনি।

পপ তারকা মিলা:
জনপ্রিয় পপ শিল্পী মিলা’র ক্যারিয়ার শুরু হয় গানের মাধ্যমেই। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও মডেলিং করেন এই পপ তারকা। কিন্তু ক্যারিয়ারের জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই তার নাম চলে আসে ভিডিও স্ক্যান্ডালের তালিকায়। ইন্টারনেটে ‘মিলা’ নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ঐ ভিডিওটিতে মাতাল অবস্থায় থাকা তরুণীর চিত্র রয়েছে। এ ঘটনার কয়েকমাস পর মিলা এ বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিও চিত্রের মেয়েটি তিনি নন। এটি আসলেই মিলা কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পাননি তিনি।

নাদিরা নাছিম চৈতি:
প্রভার আপত্তিকর ভিডিও চিত্র প্রকাশ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই পরের বছরই মডেল ও উপস্থাপিকা চৈতির একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ হয়। নির্মাতা এনামুল কবির নির্ঝরের সাথে এই ভিডিওতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় চৈতিকে। ভিডিওটি মোবাইলে ধারণ করা হয়েছিলো। এই আপত্তিকর ভিডিও চিত্রটি প্রকাশের পরপরই তুমুল সমালোচনার মধ্যে পড়েন চৈতি। এ ঘটনা মিডিয়া অঙ্গনসহ সাধারণ মহলেও বিষয়টি নিয়ে কড়া সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর অনেক দিন মিডিয়ায় দেখা যায়নি এই তারকাকে।

অরুণ চৌধুরী
নাট্যকার ও সাংবাদিক অরুণ চৌধুরীকে জড়িয়ে একটি ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ে। একটি অফিস কক্ষে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত এই ভিডিওতে কথিত অরুণ চৌধুরীর সাথে যে নারীটিকে দেখা গেছে সেই নারীটি মডেল বিন্দু বলে বিভিন্ন যায়গায় প্রচার হয়। ভিডিওর ব্যক্তি অরুণ চৌধুরী নয় বলে দাবি করেন স্ত্রী চয়নিকা চৌধুরী। পরে শোনা গেছে অরুণ চৌধুরী এর কারণে চাকুরী হারিয়েছেন।

এক বিড়ালের ভয়ে ভীত নগরবাসী!


spacer image
এক বিড়ালের ভয়ে ভীত নগরবাসী!
মানুষ চোর, ডাকাত, সন্ত্রাসী কিংবা ভয়ঙ্কর কোনো প্রাণীর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্টয়েট শহরের বাসিন্দারা একটি বিড়ালে ভয়ে ভীত। বাসিন্দা-দের মতে, এটা কোনো সাধারণ বিড়াল নয়। তাই এত ভয়!

মোটরগাড়ির শহর ডেট্টয়েটের বাসিন্দা পল হ্যাটলি (১৪) কিছুদিন আগে ওই বিড়ালটিকে চিহ্নিত করে। সে জানায়, এটি সাধারণ কোনো বিড়াল নয়। কারণ এর উচ্চতা চার ফুট। অন্যান্য বিড়াল হয়তো তার লেজের সমান হবে। সাধারণ বিড়ালের মতো এটা দৌঁড়ায় না। প্রাণীটি দেখলেই ভয় লাগে বলে জানায় হ্যাটলি।

বিড়ালটি বন থেকে এসেছে না কারো পোষ্য সেই বিষয়ে এলাকাবাসী স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি। এই ধরণের বিড়াল হাল আমলে দেখা যায় না। হাজার বছর আগে আফ্রিকায় এ ধরনের বিড়াল দেখা গেছে।
২৬ আগস্ট, ২০১৩

Sunday, August 25, 2013

দেহ-ব্যবসায়ী বিন্দু !

দহে-ব্যবসায়ীর চরত্রিে অভনিয় করলনে লাক্স তারকা বন্দিু। এক ঘন্টার এ নাটকটরি নাম ‘একটি ছঁেড়া র্পোট্রটে’ যটেরি রচনা ও নর্দিশেনায় ছলিনে রুপক বনি রউফ। এই নযি়ে নাটকে দ্বতিীয়বাররে মতো দহে-ব্যবসায়ীর অভনিয় করলনে বন্দিু।

নাটকরে গল্পে দখো যাবে বন্দিু একজন উচ্চ শ্রণেীর দহে-ব্যবসায়ী। একসময় সে স্বাভাবকি জীবনে ফরিে আস।ে

এরপর উচ্চবত্তি পরবিাররে এক ছলেরে সাথে তার সর্ম্পক গড়ে ওঠ।ে সে সর্ম্পক বযি়তেওে গড়ায় । কন্তিু স্বামীর সংসার শুরুর পর দখো দযে় নতুন সমস্যা। বাসার গাড়ীচালক বন্দিুর জীবনরে সব ঘটনা জানে এবং চনে।ে সুযোগ কাজে লাগযি়ে বন্দিুকে ব্ল্যাকমইেল করতে চায় অসৎ গাড়ীচালক।

স্বামীর সম্মান রর্ক্ষাথে সংসার ছডে়ে আবারও রাস্তায় নামে বন্দিু। এভাবইে এগযি়ে চলে নাটকটরি গল্প। নাটকটতিে বন্দিুর স্বামীর চরত্রিে অভনিয় করছেনে নাঈম। নাটকটি শীঘ্রই এসএ টভিতিে সম্প্রচারতি হব।ে

উল্লখ্যে এর আগে ‘শষে থকেে শুরু’ নামরে একটি টলেফিল্মিে পততিার চরত্রিে অভনিয় করছেলিনে বন্দিু।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নগ্ন!

২০ বছরের তরুণী স্টিফেইন কী। বাবা নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কী। লেখাপড়া করেন বিখ্যাত প্যারিস আর্ট স্কুলে। সম্প্রতি স্টিফেইন পুরো নগ্ন হয়ে অক্টোপাস মাছের সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের বেশ কিছু  ছবিতে পোজ দিয়েছেন। বিতর্কিত এ ছবিগুলো আগামী মাসে ‘প্যারিস ডিজাইন উইকে’ প্রদর্শন করা হবে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী মেয়ের এমন কাণ্ডে অনেকে খুবই আশ্চর্য হয়েছেন। সেই সাথে সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন স্টিফেইন। সমালোচকদের ভাষ্যমতে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে বলেই কি এত আস্কারা পেয়েছেন তিনি। তারা বলেছেন, অক্টোপাস মাছের সাথে এরকম আবেদনময়ী পোজের জন্য যেকোন বাবা-মাকে সমালোচনার পাশাপাশি কটু কথা শুনতে হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে হওয়ায় স্টিফেইনের বাবা জন কী আরো সমালোচনার শিকার হবেন।
রবিবার ডেইলি মেলে প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, স্টিফেইন পুরো নগ্ন হয়ে অক্টোপাস মাছের সাথে ছবি তুলেছেন। আর অক্টোপাস মাছটি তার যৌনাঙ্গের চার পাশে শুয়ে আছে।
অপর একটি ছবিতে তিনি তার স্তনের ওপর বার্গার ও নাভীর তলদেশে চিপসের প্যাকেট এবং মুখে লাল গোলাপ কামড় দিয়ে পোজ দিয়েছেন।
অন্য আরেকটি ছবিতে স্টিফেইনের পুরো শরীর জুড়ে বিভিন্ন উত্তেজক খাবারের পাশাপাশি অক্টোপাস মাছের সাথে উত্তেজনাপূর্ণ পোজ দিয়েছেন।
তবে বিতর্কিত এসব ছবির ব্যাপারে স্টিফেইন কোন মন্তব্য না করলেও ফ্যাশন ফটোগ্রাফার ক্রিস সিসারিস বলেছেন,  স্টিফেইন অনেক মেধাবী। আমি যেভাবে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি, ঠিক সেভাবেই সে পোজ দিয়েছে।
সমালোচনার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি শিল্পী।  সুতরাং সমালোচকদের উচিৎ হবে  নগ্নতা বিবেচনা না করে এটাকে ‘শিল্প’ হিসেবে দেখা।  স্টিফেইন প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সেটা বড় কথা নয়। নিউজিল্যান্ডবাসী আমার কাজকে মূল্যায়ন করবে বলে আমি আশা করি।
আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে স্টিফেইনের কলেজের ‘প্যারিস ডিজাইন উইকে’ বিতর্কিত এ ছবিগুলো প্রদর্শন করা হবে।
উল্লেখ্য, জন কী নিউজিল্যান্ডের ৩৮ তম প্রধানমন্ত্রী। তিনি ২০০৮ ও ২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয় লাভ করেন।

ছেলেরা ৩৪ মেয়েরা ১৮বার

ছেলেরা টেক্কা দিল মেয়েদের। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে দিনে অন্তত ৩৪বার ছেলেরা যৌন বিষয় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করে। সেখানে মেয়েরা দিনে গড়ে মোটামুটি ১৮বার একই বিষয় নিয়ে ভাবে। অর্থাত মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের যৌন চিন্তার প্রবণতা প্রায় দ্বিগুন।
এল জেমসের ইরোটিক উপন্যাস “ফিফটি শেডস অফ গ্রে“ প্রকাশিত হওয়ার পর এই গবেষণা শুরু করা হয়।
ওহিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিবার খাওয়ার, শোওয়ার আর যৌন ইচ্ছার সময় লিখতে বলা হয়েছে।
তবে এই সমীক্ষা অনুযায়ী আগে যতখানি ভাবা হত মেয়েরা তার থেকে অনেক ব্বশি সময় যৌন চিন্তায় ব্যয় করে। গড়ে ১৮.৬ বার যৌনতা বিষয়ক ভাবনা চিন্তা করে মেয়েরা। আট ঘণ্টা ঘুম বাদ দিলে দিনে প্রতি ৫১মিনিটে একবার যৌন ভাবনা আসে মেয়েদের মনে।
অন্যদিকে একই ভাবে ঘুমের সময়টুকু বাদ দিলে দিনে ২৮মিনিটে একবার যৌনতা বিষয়ে চিন্তা করে ছেলেরা।
সমীক্ষার সময় মনোবিদরা ওহিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮-২৫ বছর বয়সী ২৮৩জন ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যবহারের পর্যবেক্ষণ করেছেন।

Friday, August 23, 2013

মেয়েদেরও স্বপ্নদোষ হয় ?

স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
স্বপ্নদোষের মাত্রা
স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।

মেয়েদের জন্যেও কনডম আছে

ক্ছবিতে যে জিনিসটি দেখতে পাচ্ছেন তার নাম ফিমেল কনডম। ছেলেদের  যেমন কনডম আছে, তেমনি আছে মেয়েদের জন্যেও। ব্যবহারের অজ্ঞতার জন্যে আমাদের দেশে এর তেমন একটা ব্যবহার নেই। কিন্তু ওয়েস্টার্ন দেশগুলোতে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের কনডমের
চাহিদা বেশি। কারণ মেয়েদের কনডম ব্যবহারে তুলনামূলক ভাবে যৌনমুলনে বেশি আনন্দ পাওয়াযায়। এখন শিখিয়ে দিচ্ছি ফিমেল কনডম ব্যবহারের নিয়মঃ এর নীচের
দিকে যে রাবারটি দেখতে পাচ্ছেন তা থাকে যোনীর ভেতর। আর চিকন বড়
ফাঁকের যে রাবারটি আছে তা যোনীমুখের বাইরে আটকে থাকে। নীচের মোটা রাবারটিকে প্রথমে বুড়ো আঙ্গুল এবং তর্জনী ব্যবহারে পেন্সিলের মতো করে ধরে যোনীমুখে সামান্য
ঢুকিয়ে এরপর বাইরের বড় ফাঁকের রাবারটির ভিতর দিয়ে আঙ্গুল দিয়ে আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে পুরো কনডমটিকে যোনীর ভেতর ঢুকিয়ে দিন। দেখবেন বাইরের রাবারটি যোনীমুখের
চারপাশে আটকে আছে। তা ভেতরে ঢুকে নিজে থেকেই প্রসারিত হবে। এবার যৌনমিলন উপভোগ করুন। মিলন শেষে সাবধানে কনডমটি বের করে আনুন।  শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।  এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব।

উদ্দাম নাচ আর মদ্যপানে তিন্নির সর্বনাশ

কয়েকদিন ধরে ওয়ারিশাকে নিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন তিন্নি। এ কারণে হিল্লোল থানায় একটি জিডিও করেন। কিন্তু এখনো কেউ তাদের খোঁজ জানতে পারেনি।


২০০৬ সালে মডেল অভিনেত্রী তিন্নি ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন হিল্লোলকে। সুখের সংসারে তিন্নির কোল জুড়ে আসে ফুটফুটে শিশু ওয়ারিশা। সাধারণ দম্পতিদের মতো সামান্য খুনসুটি ছাড়া তাদের সংসারে কোনো ঝামেলা না থাকলেও ক্রমেই তিন্নি ও হিল্লোলের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

তিন্নির ঘনিষ্ঠজনদের সাথে আলাপ করে জানা যায় যে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তিন্নির গোপন সম্পর্কই তিন্নি ও হিল্লোলের সংসারে অশান্তি ডেকে এনেছিল। বিভিন্ন পার্টিতে উদ্দাম নাচ আর মদ্যপানের ভেতর দিয়েই চলত তিন্নির দিন। এক সময় হিল্লোল তিন্নিকে তালাক দিতে বাধ্য হন।

মূলত তিন্নির অনিয়ন্ত্রিত ও উদ্দাম জীবনই এসব অঘটনের জন্য দায়ী।

Thursday, August 22, 2013

রাজধানীতে মেয়ে বেচাকেনার হাট !


রাজধানীতে মেয়ে বেচাকেনার হাট !
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: খোদ রাজধানী ঢাকাতেই কিশোরী মেয়ে বেচাকেনার হাটের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পরও সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজধানীর কাপ্তানবাজার এলাকার হোটেল শৈবাল আবাসিকে বসে কিশোরী মেয়েদের এই হাট। ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সেখানে নারী ও শিশু পাচারকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্র দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মেয়েদের নিয়ে আসে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে, বিয়ের কথা বলে, বেশি বেতনে ভাল চাকরির আশ্বাস, মডেল বানিয়ে সিনেমার পর্দায় অভিনয়ের সুযোগ করে দেয়া, বিদেশে চাকরির প্রলোভনসহ বিভিন্ন ফন্দি-ফিকির করে শিশু-কিশোরীদের সংগ্রহ করা হয়। এরপর তাদের উপর চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন। এমনি নির্যাতনের শিকার শিশু মলিনা (১৩) ও প্রিয়া (১৪)।

এদের মতো প্রাপ্ত-অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের শৈবাল হোটেলে এনে প্রথমে পাচারকারীরা নিজেরা গণধর্ষণ করে। এরপর তাদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। সেখানে কেউ হিংস্র হয়ে উঠলে আটক মেয়েদের অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটসহ প্রচার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে জিম্মায় রাখে পাচারকারীরা।

এভাবেই সংঘবদ্ধ চক্রটি কিশোরীদের তাদের আদেশ-নির্দেশের ক্রীড়নক বানিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এখান থেকে কিশোরীদের বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসা, আবাসিক হোটেল, পতিতালয় এবং কৌশলে বিদেশে পাচার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, মলিনা ও প্রিয়া নামের দুই শিশু-কিশোরীসহ শতাধিক তরুণীকে অপহরণপূর্বক আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসা এবং পতিতালয়ে বন্দি রেখে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করার খবর জেনেও ওয়ারী থানা পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করছে না।

 মানবাধিকার কর্মীরা বিস্তারিত ঘটনা থানাকে জানালেও পাত্তা দেয়নি পুলিশ। পরে বিভিন্ন আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি সংগঠন ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে ফ্ল্যাট বাসা ও আবাসিক হোটেলে আটকে রাখাসহ জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি করানোর সন্ধান পায়। তারা শিশু মলিনা ও প্রিয়াসহ আটক অন্য কিশোরীদের উদ্ধারের ব্যাপারে থানা পুলিশের সহায়তা চায়। এ ব্যাপারে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জনস্বার্থে ওয়ারী থানাসহ ডিএমপি’র কয়েকটি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাতে অনীহা প্রকাশ করে।

তাই অভিযোগ আকারে আবেদনপত্রের মাধ্যমে ডাকযোগে পুলিশের উর্ধ্বতন মহলকে বিষয়টি অবহিত করা হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। তা সত্ত্বেও ওয়ারী থানা পুলিশ আটক এরকম শতাধিক প্রাপ্ত-অপ্রাপ্ত মেয়েদের উদ্ধারে কোন পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়নি। বাধ্য হয়ে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন স্ব-উদ্যোগে সংস্থার পক্ষে কো-অর্ডিনেটর নুরুল ইসলাম চৌধুরীকে বাদী করে দেড় শতাধিক নারী পাচারকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের শরণাপন্ন হয়।

তারপরও বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি ওয়ারী থানা পুলিশ। পরে ৭ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক এস. এম. রেজানুর রহমানের (জেলা জজ) আদালতে মানবপাচার আইনে পিটিশন মামলা (মামলা নং- ১৪২/২০১৩) রুজু করলে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ওয়ারী থানাকে নির্দেশ দেন। ডিসপাস স্মারক নং-২০১২, তারিখ : ১২/০৮/১৩ ইং। তা সত্ত্বেও পুলিশ মামলায় উল্লেখিত ভিকটিমদের উদ্ধার ও পাচারকারীদের গ্রেফতারের ব্যাপারে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

মানবাধিকার সংগঠনটির অনুসন্ধান টিম জানতে পেরেছে পতিতালয়, আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাটবাসায় নারী পাচারকারীদের জিম্মায় থাকা মলিনা ও প্রিয়াসহ শিশু-কিশোরীদের নানা বর্বরতা চালানোর মাধ্যমে তাদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছে। তারা যেন কোনভাবে সেখান থেকে পালাতে না পারে এজন্য মলিনার মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে ও অন্যান্যদের প্রায় নগ্ন অবস্থায় রাখা হচ্ছে। গেটের তালা লাগানো থাকছে সর্বক্ষণ।

 অনুসন্ধান টিমের সদস্যরা কিশোরীদের আটক অবস্থার দৃশ্যটি কৌশলে ক্যামেরায় ধারণ করতে সক্ষম হন। এদিকে, মামলা হওয়ার পর থেকেই বাদী পক্ষের একাধিক কর্মকর্তা বার বার ওয়ারী থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোক্তারের কাছে গিয়ে অন্যান্য থানা এলাকায় আটক ভিকটিমদের উদ্ধারের জন্য অধিযাচরন পত্র (রিক্যুইজিশন পত্র) চাওয়া হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এমন অবস্থায় ওইসব শিশু-কিশোরীদের বন্দি দশা থেকে মুক্ত এবং নারী পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করতে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন।

হোম সার্ভিসের নামে রাজধানীতে রমরমা সেক্স বাণিজ্য

রাজধানীর হোটেলে পুলিশের হয়রানি। ফ্ল্যাট বাড়িতে স্থানীয় হোমরা চোমরা ও মাস্তানদের উৎপাত। তাদের বখরা না দিয়ে নিস্তার মেলে না। তাই বাধ্য হয়েই হোম সার্ভিসে জড়িয়ে গেছি। খদ্দেরের কল পেলে বাসায় যাই। একথা রাজধানীর এক যৌনকর্মীর। এক আবাসিক হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। কিন্তু সেখানে কমিশন দিয়েও রেহাই ছিল না, তাদের অন্যান্য চাহিদায় সাড়া দিতে হতো। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তাকে বেছে নিতে হয়েছে হোম সার্ভিস। এভাবে অসংখ্য যৌনকর্মী নানাভাবে তাদের পেশাকে বিস্তৃত করেছে এখন। হোটেল আর রাজপথ পেরিয়ে তারা যুক্ত হয়েছে হোম সার্ভিসে। তাদের এ পেশার নেপথ্যে রয়েছে শক্তিশালী দালাল চক্র। এরা প্রকাশ্যে চলার পথে হাত বাড়িয়ে পথিকদের হাতে ধরিয়ে দেয় তাদের ভিজিটিং কার্ড। রাজধানীর বিভিন্ন্ন মার্কেট, বাসস্ট্যান্ড, বাজার, অলিগলি ও অফিস-আদালতের সামনে দালালরা এসব কার্ড বিলি করে। যে কোন প্রয়োজনে ফোন দেয়ার আহ্বান জানিয়ে মুহূর্তেই জনতার ভিড়ে অদৃশ্য হয়ে যায় তারা। যৌনকর্মীরা জানায়, আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার ও বয়-বেয়ারা নির্দিষ্ট কমিশনের ভিত্তিতে খদ্দের যোগাড় করে দেয় তাদের। অনেক পেশাদার যৌনকর্মী অবশ্য নিজেরাই কার্ড বিলি করে। এসব কার্ডে সাধারণত মধ্যস্থতাকারীর মোবাইল নম্বর থাকে। পার্ক, ওভারব্রিজ এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি। আরেক কৌশল- হারবাল চিকিৎসার নামে ভিজিটিং কার্ড বিতরণ। ফার্মগেট, শাহবাগ, কাকরাইল, মালিবাগ, মতিঝিল, সায়েদাবাদ, গাবতলী এলাকায় এ তৎপরতা বেশি। ব্যস্ততম গাড়িতে ছুড়ে দেয়া হয় যৌন চিকিৎসার নামের হ্যান্ড বিল। ওই সব চিকিৎসার আড়ালে চলে যৌন ব্যবসা। রাজধানীর আবাসিক হোটেলের সামনে প্রতিদিন অবস্থান করে দালাল চক্র। টার্গেট করা পথচারীকে তারা ডাকে মামা বলে। কাছে এলেই ধরিয়ে দেয় ভিজিটিং কার্ড। বলে, মামা যেমন বয়সের দরকার সব ব্যবস্থা আছে। জায়গার সমস্যা হলে বলবেন। তবে রেটটা বাড়িয়ে দিতে হবে। যৌনকর্মীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাদের পরিচিত মানুষের মাধ্যমে বাসায় খদ্দের পেয়ে থাকে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট বাসায় ভিআইপি যৌন ব্যবসা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে মহাখালী ডিওএইচএস, গুলশান, বনানী লালমাটিয়া, দিলু রোড, ইস্কাটন রোড, সেন্ট্রাল রোড, মোহম্মদপুর, রামপুরা, শান্তিনগর, উত্তরা, কাকলী, কালাচাঁদপুর এলাকায় এ ব্যবসা চলছে বলে জানায় এক যৌনকর্মী। তবে ভিআইপি এলাকায় যৌন ব্যবসা পরিচালিত হয় বিশেষ গোপনীয়তায়। সেখানে যাতায়াত করে বিশেষ ধরনের খদ্দের। মালিবাগের এক ভ্রাম্যমাণ যৌনকর্মী জানায়, ঢাকা শহরের দু’-একটা স্থান ছাড়া সব জায়গাতেই এ ব্যবসা চলছে। মোবাইল ফোন ও ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে এ ব্যবসার গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। পেটের দায়ে যে যৌনকর্মীরা রাস্তায় নেমেছে পুলিশের হাতে প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হতে হয় তাদের। কিনু্ত ভিআইপি এলাকায় পুলিশকে সালাম দিয়েই ঢুকে যায় তারা। পথচারী আলাল মিয়া জানান, তার হাতে একটি কার্ড পড়েছিল। কল করলে একজন পুরুষ রিসিভ করে। বিনয়ের সঙ্গে জানায়, আপনার ফোনের অপেক্ষায় আছেন ঢাকার বিভিন্ন কলেজ, ইউনিভারসিটির ছাত্রী ও মধ্য বয়সের মহিলা যৌনকর্মী। বলুন কি সেবা করতে পারি স্যার? তার মতে, আজকাল সংসারে অশান্তি, স্বামী বিদেশে বা স্বামীর কর্মস্থল ঢাকার বাইরে- এ ধরনের অনেক মহিলা হোম সার্ভিসে যোগ দিয়েছেন।
ভিজিটিং কার্ডের নম্বরধারীরা সাধারণত চারটি ভাগে রাজধানীতে যৌনকর্মী সরবরাহ করে। প্রথমত- যৌনকর্মীকে ভিজিটরের বাসার ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া, দ্বিতীয়ত- যৌনকর্মী ও ফ্ল্যাট ভিজিটরকে নিরাপদে নিয়ে আসা, তৃতীয়ত- হোটেল কক্ষে যৌন মিলনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং চতুর্থ প্রাইভেট পরিবহন ও পার্ক। বিশেষ শ্রেণীর যৌনকর্মীরা নিজের ফ্ল্যাট বাসা-বাড়িতে খদ্দেরকে আপ্যায়ন করে ।
একটি সূত্র জানায়, কেবল টাকার জন্য নয়- নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্যও অনেক মহিলা এ কাজে নেমেছে। তবে এ সংখ্যা খুব কম। এমনও যৌনকর্মী আছে যাদের সন্তান বড়- স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। সূত্র মতে, আবাসিক হোটেলের প্রায় ২ থেকে ৩শ’ ভিজিটিং কার্ডধারী যুবক এখন যৌনকর্মীদের মধ্যস্থতাকারীর কাজে লিপ্ত। ভিজিটিং কার্ডের আয় থেকে চলছে তাদের সংসার।
কাওরান বাজারের এক হোটেল বয় জানায়, আজকাল ভদ্র ঘরের মেয়েরাও যৌন ব্যবসার প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা নেমেছে এ পেশায়। তারা বড় বড় হোটেলে যায়। তাদের কন্টাক্ট নম্বর কেবল হোটেলে পাওয়া যায়। ডিওএইচএস-এর এক যৌনকর্মী সম্পর্কে সে জানায়, দূরের জেলায় ব্যবসা করে। নিঃসন্তান। প্রতি শুক্রবার স্বামী ঢাকায় ফেরে। ওই মহিলা সপ্তাহে তিন দিন আমাদের মাধ্যমে বাসায় খদ্দের নেয়। ভিজিটের অর্ধেক টাকা দিয়ে দেয়। বনানীর এক যৌনকর্মীর স্বামী সরকারি কর্মকর্তা। সে ১ সন্তানের মা। টাকার জন্য এ পেশায় এসেছে। সূত্র খুব বিরক্তি প্রকাশ করে বলে, সে একেবারে হাড়কিপ্টে। জিজ্ঞেস করা হয়, মহিলার আয় কত? সপ্তাহে ২৫ হাজার টাকা। আর সে কমিশন পায় ৫ হাজার টাকা। জানতে চাওয়া হয় কতদিন ধরে মহিলা এ কাজে লিপ্ত? উত্তরে জানায়- ৪ মাস। পরিচয় কিভাবে? হঠাৎ একদিন হোটেলের সামনে তার প্রাইভেট কার নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আরেক সূত্র জানায়, হোটেলে শুধু পতিতা মেয়েরা আসে না। কেউ আসে পতিতা সেজে। খদ্দের দেখে পছন্দ হলে বাসায় নিয়ে যায়। বিনিময়ে আমাদের কিছু টাকা ধরিয়ে দেয়। তার মতে এরা পতিতা নয়। স্বামীর অসঙ্গতি, সংসারে ঝামেলা ও বিভিন্ন মানসিক কষ্টের কারণে এ কাজে তারা ঝুঁকে পড়েছে। জানতে চাওয়া হয়, এই ধরনের মহিলাদের সংখ্যা? সে বলে তার হাতে আছে ২৩ জন। প্রতিদিন পালাক্রমে তাদের খদ্দের পাঠাতে হয়। এরা ‘ভাবী’ নামে পরিচিত। এই ‘ভাবী’দের ভিজিট কেমন? ঘণ্টা প্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। তবে সুদর্শন পুরুষ তাদের বেশি পছন্দের। তাদের জন্য ডিসকাউন্ট আছে। এ সূত্রটির মাসিক আয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।
এক যৌনকর্মী জানায়, সে ঢাকায় এসেছে স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে। প্রতিবেশী ভাবীর সঙ্গে পরিচয়ের পর তার উৎসাহে এ পেশায় এসেছে। অল্প দিনেই তার শতাধিক খদ্দের জুটেছে। এক ডাকে সবাই তাকে চেনে। পুলিশ তার জন্য কোন সমস্যা নয় বলে জানায়।

এখানে যৌনতা আছে, সমকামিতা রয়েছে

তাঁর প্রথম ছবি “গান্ডু” পড়েছিল সরকারি রোষের মুখে। অন্য দিকে, রবীন্দ্রনাথের “তাসের দেশ”-ও তাই! এই আশ্চর্য সমাপতনই কি পরিচালক কিউ-কে বাধ্য করল “তাসের দেশ”-কে চলচ্চিত্রায়িত করতে? ১৯৩৩ সালে ৭১ বছর বয়সে যখন রবীন্দ্রনাথ একটি নাটক লিখছেন যেখানে একটি দেশে রাজা তাঁর প্রজাদের এবং রাজ্যটিকে একটি নিষ্প্রাণ নিয়মের নিগড়ে বেঁধে ফেলেছেন। আশ্চর্য সমাপতন হিসেবে সেই বছরেই পৃথিবীর ইতিহাসে হিটলারের উত্থান ঘটল। ২২শে মার্চ প্রথম কনসেনট্রেশন ক্যাম্প খোলা, ২৬শে মে গেস্তাপো বাহিনীর প্রতিষ্ঠা, ১০ই মে বার্লিনের রাস্তায় নাৎসিদের অপছন্দের বই পোড়ানো উৎসব। সে নাটক “তাসের দেশ”। বলাই বাহুল্য, নাৎসি আগ্রাসনের মুখে “তাসের দেশ” ছিল এবং রবীন্দ্রনাথের বই জার্মানিতে নিষিদ্ধ হয়। সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিগুণা সেন সভাগৃহে তাঁর নতুন ছবি সেই “তাসের দেশ” নিয়ে এমনতর নানা তথ্য ও যুক্তির কথা জানালেন পরিচালক কিউ।
ছবির একটি অন্যতম চরিত্র হরতনী, ঋ-এর কথায়, “এই সিনেমায় প্রথম আমি এমন একটি চরিত্র করছি যেগুলো আগের থেকে একেবারেই আলাদা। আমি হরতনী। প্রথম ক্লাসিক নাটক থেকে সিনেমায় উত্তরণ। এখানে যৌনতা আছে, সমকামিতা রয়েছে। কিন্তু সেটাই মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠেনি, মূল বিষয়ের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে এসেছে। তাতে যদি কেউ আপত্তি করেন করতেই পারেন”।

নাইট ক্লাবে প্রভা!

আবারও বেপরোয়া জীবন যাপনে মেতেছেন অভিনেত্রী প্রভা। রাজধানীর নাইটক্লাবের ঝলমলে অর্ধনগ্ন পার্টিতে এখন তার সচারচর যাতায়াত।
জানা গেছে, বিয়ের প্রথম কয়েকমাস প্রভা মোটামুটি নিয়মের মধ্যে থাকলেও, এখন কোনো নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না তিনি। পার্টিতে কখনো কখনো সঙ্গী হচ্ছেন ব্যবসায়ী স্বামী শান্ত। আবার স্বামীর অজান্তে সঙ্গে থাকছে একাধিক বন্ধুবান্ধব।
প্রভার পার্টিতে যাওয়া নিয়ে পরিবারের লোকজন এর আগে সর্তক করলেও, স্বামী পক্ষে থাকার কারণে তেমন কোনো অশান্তির সৃষ্টি হয়নি। তবে গত কয়েকদিন ধরে এসব নিয়ে বেশ ঝামেলাই পোহাতে হয়েছে প্রভাকে।

ফেসবুকে বন্ধুত্ব অতপর গনধর্ষণ


ফেসবুকে বন্ধুত্ব অতপর গনধর্ষণ
টাইমস ওয়ার্ল্ড : ভারতের রাজস্থান রাজ্যে একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও তাঁর বন্ধুকে একটি গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে বন্ধুত্ব করা এক মেয়েকে তাঁরা ধর্ষণ করেছেন।

পুলিশ বলেছে, জয়পুর শহরের ২৭ বছর বয়সী মেয়েটির সঙ্গে মনীশ সাইনি নামের একজন ফেসবুকে ‘বন্ধু’ হন। মনীশ ও তাঁর বনফুল প্রকৌশলবিদ্যার ছাত্র সন্দীপের আমন্ত্রণে কোটা শহরে যান ওই তরুণী। সেখানে মনীশ ও সন্দীপ ওই তরুণীকে মদ খাওয়ান এবং ধর্ষণ করেন।

শরীরকে পণ্য করে বাণিজ্য

যৌনতাকে পুঁজি করে ব্যবসা রাজধানীতে নতুন কোনো কিছু নয়। অমর্যাদাকর এই যৌন বাণিজ্য বন্ধে বহু বিতর্ক রয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই বাণিজ্য। ফলে এর সঙ্গে জড়িত নারী ও শিশুরা অবহেলিত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীতে যৌন বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হচ্ছে, তেমনি বদলে যাচ্ছে ব্যবসার কৌশলও। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যসহ নামধারী কিছু সাংবাদিকও নিয়ন্ত্রণ করছে যৌন বাণিজ্য। নারী ও শিশুর শরীরকে পণ্য করে রাজধানীতে এই খাত থেকে সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করা হচ্ছে। যৌন বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক নিয়ে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে নানা চমকপ্রদ তথ্য।

sex-5সিনেমা হল : ভাড়াটে বান্ধবী
সন্ধ্যা ছয় টা। রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা পরিচিত একটি সিনেমা হল। চারপাশে ব্যস্ত মানুষের ঘরে ফেরার প্রস্তুতি, যানবাহনের জন্য চিরচেনা অপেক্ষা। সিনেমা হলটিতে দিনভর লোক সমাগম কম হলেও সন্ধ্যার পর থেকে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। একটু দূরেই ট্রাফিক পুলিশের কন্ট্রোল রুম। হলের সামনে রিকশা, ভাসমান দোকান। বেশ রমরমা অবস্থা দেখে ‘চলচ্চিত্র শিল্পে সুদিন আসছে’ মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা তেমনটা বলে না। হলটির কাউন্টার ম্যানেজারের কাছে জানা গেল, ‘ব্যবসার অবস্থা ভাল না। কোনো শো-ই হাউসফুল হয় না। প্রায় অর্ধেক সিট খালি পড়ে থাকে। তবে এই সময়টাতে বেশ গ্যাদারিং হয়, আশপাশে অনেক লোকজন থাকে। সবাই তো আর সিনেমা দেখার জন্য আসে না।’ তাহলে কেন আসে? বহুবার প্রশ্ন করা হলেও বরাবরই নিশ্চুপ কাউন্টার ম্যানেজার। পাশ থেকে এক নিরাপত্তারক্ষী জানালেন, ‘শো শুরু হচ্ছে, বাইরে কিছুক্ষণ থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন।’

সন্ধ্যা সাড়ে সাত টা। অপেক্ষা লোক সমাগমের রহস্য জানার জন্য। কিছুক্ষণ বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাফেরা করার পর অবশেষে নজর কাড়তে সক্ষম হই। শীর্ণদেহী এক লম্বা তরুণ এসে এভাবে ঘোরাফেরা করার কারণ জানতে চায়। ‘কিছু লাগলে বলেন’ অযথা ঘোরাফেরা করেন ক্যা?’ তার কথায় একটি ইঙ্গিত পেয়ে মনোযোগী হই, একটি সিগারেটের দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলি আরও কিছুক্ষণ। দূর থেকে কেউ একজন হাত নেড়ে পুলিশ বক্সের দিকে যেতে ইঙ্গিত করে। সেদিকে পা বাড়াই। রাস্তার মাঝখানেই পুলিশ বক্স, একপাশটা বেশ অন্ধকার। আবছা আলোয় দাঁড়িয়ে আছে তিনজন, সকলেই বোরকার আদলে মুখ ঢেকে রেখেছে। পায়ের চপ্পল আর নিজেদের মধ্যে কথা বলার ধরণ দেখে আঁচ করা গেল তাদের সম্পর্কে। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে কথা বলতে রাজি হলেন একজন। ঠিক হলো মিরপুরেই একটি বোর্ডিংয়ে গেলে ৫শ’ টাকা দিলেই কেবল তারা মুখ খুলবেন। এই টাকাটার তিনশ’ই সেই বোর্ডিং এ দিতে হবে। বাজেট কম বলে ফিরে আসার চেষ্টা করি এবারঃ। তখন পাশ থেকে একজন বলে উঠলেন, ‘ট্যাকা কম হইলে অন্য কিছু হবে না, লন হলে একসঙ্গে সিনেমা দেখিঃ খুশি কইর‌্যা দিবো। দুইশ টাকা দিলেই হবে। টিকেট আপনে কাটবেন।’

sex-9সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিনেমা হলগুলোকে কেন্দ্র করে এক ধরনের যৌন বাণিজ্য দিন দিন বাড়ছে। সিনেমা দেখার নাম করে খদ্দেরদের সঙ্গে নিয়ে হলের ভেতরেই চলে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড। দালাল এবং খদ্দেরের কাছে এরা ‘ভাড়াটে বান্ধবী বলে পরিচিত। সিনেমা দেখার এই বিশেষ বান্ধবীরা একশ্রেণির দালাল ম্যানেজ করে হলের ভেতরে প্রবেশ করে। আর টাকাওয়ালা খদ্দের পেলে তাদের শেষ গন্তব্য হয় আবাসিক হোটেল কিংবা বোর্ডিং নামের অন্ধকার ঝুপড়ি ঘর। আর এই ‘ভাড়াটে বান্ধবী’রা সবকিছু বিলিয়ে দেওয়ার পর পায় একশ এবং দুইশ টাকা। বাকি টাকা চলে যায় বোর্ডিং, সিনেমা হলের দালালদের পকেটে। আর সন্ধ্যা থেকে রাত এবং দুপুর থেকে সন্ধ্যা দুই শিফট ভাগ করে কাজ করে এই ভাড়াটে বান্ধবীরা। একেকজন দৈনিক আয় করে কমপক্ষে সাতশ থেকে এক হাজার টাকা। প্রায় ১৫ টি সিনেমাহলকে ঘিরে কমপক্ষে ২০ জনের একাধিক গ্রুপ থাকে। গ্রুপগুলো নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয় ছিচকে ছিনতাইকারী-মাদকাসক্ত একাধিক চক্র। আর তাদের গতিবিধির সব তথ্যই থাকে স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে, মেলে মাসোয়ারও। তাই তারা রহস্যজনক কারণে তারা নীরব থাকেন। অসমর্থিত একটি সূত্র দাবি করেছে, ‘দায়িত্বশীলদের সঙ্গে দৈনিক চুক্তি-ই এই নীরবতার কারণ।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক দালাল ও হোটেল-বোর্ডিং কর্মচারী বলেন, ‘ভাই, আমরা এই ট্যাকা একা খাইনা, হগল রে দিয়া হালাল কইর‌্যা খাই।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে এক সিনেমা হল কর্মচারী বলেন, ‘এমনিতেই হলের অবস্থা খারাপ। ভেতরে তো খারাপ কিছু হয় না। তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখে, সুযোগ পেলে গায়ে হাত দেয়। আর কিছু ভেতরে করার সুযোগ নাই। কেউ কেউ সময় কাটানোর জন্য আসে। বেশি কিছু করলে সেটারও জায়গা আছে, তারা সেখানে যায়। পোষাক দেখে তো আর মানুষ চেনা যায় না। এরা গরীব, প্যাটের দায়ে করে, কিন্তু আশপাশে যারা থাকে সবাই তো এ থেকে টাকা খায়।’

বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র আরও জানায়, রাজধানীতে ‘ভাড়াটে বান্ধবী’ শুধু সিনেমা হলকেন্দ্রিক নয়, বিভিন্ন বিনোদন পার্কেও এদের অবাধ বিচরণ রয়েছে। এরা দালালদের সহায়তায় নানা অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সিনেমা হল ও বিনোদনস্পটগুলোকে তারা বেছে নেয় খদ্দের সংগ্রহ করার স্থান হিসেবে। খদ্দেরের সঙ্গে রফা হওয়ার পর সুবিধাজনক স্থান বেছে নেয়। রাজধানীজুড়ে দিন দিন এই ধরনের যৌনকর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, এই শ্রেণির যৌনকর্মীরা ভাসমান, তারা এক সময় একটি এলাকা বেছে নিয়ে কাজ করে। কাজের সন্ধানে রাস্তায় নামার পর তারা বোরকা পরে থাকে, দালালদের মাধ্যমেই তারা সবকিছু ম্যানেজ করে। যারা নিয়মিত গ্রাহক তারা খুব সহজেই ‘ভাড়াটে বান্ধবী’দের অন্যদের থেকে আলাদা করতে পারেন। রাতভর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার কৌশল বদলে অনেকেই এই নতুন পথ ধরছে। রাজধানীজুড়ে এমন ‘ভাড়াটে বান্ধবী’র সংখ্যা প্রায় ৫ শতাধিক। সঙ্গে রয়েছে আরও প্রায় শতাধিক দালাল চক্র। এই ধরনের যৌনকর্মীদের চাহিদা স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে বেশি।

sex-6পথে পথেই জীবন
রাত সাড়ে ১১টা। স্থান বিজয়নগর। রাস্তার ওপর যানবাহনের সংখ্যা কম, কারণ পরদিনই বিরোধীদলের হরতাল। শহর জুড়ে নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফুটপাতের ওপর কারও উপস্থিতি তেমন নেই। কিছুক্ষণ পানির ট্যাঙ্কের সামনে অপেক্ষা, কথা হয় এক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে। বলছিলেন, ‘এদিকে রাত ১২ টার আগে কারও দেখা পাওয়া যায় না। রাত গভীর হলে দুই-একজন এদিকে আসে।’ কথা বলতেই বলতেই দূরে কারও আনাগোনা চোখে পড়ে।

একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের সামনে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কথা হয় সীমা নামের প্রায় পঁচিশ বয়সী সেই যৌনকর্মীর সঙ্গে। শুরুতে আপত্তি করলেও পরে সহজভাবে কথা বলেন। তিনি জানালেন, ‘আইজক্যা তিন বছর ধরে এই কাম করি। প্রত্যেকটি কামের জন্য ৫০ টাকা পাই, কেউ খুশি হলে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দেয়। রাইতে ১১ টায় আসি, ভোরের আগেই চলে যাই। পরতেক দিন (দৈনিক) সাড়ে ৭শ’ টাকা থেকে ১ হাজার টাকাও পাই। যাওয়া-আসা খরচ আর খাওয়া বাদ দিলে ৫শ’ টাকার বেশি থাকে না। মাঝে মইধ্যে শরীর খারাপ হলে কামে আইতে পারি না।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সীমা আরও জানায়, ‘রাস্তায় অনেক ঝামেলা। এলাকার মাস্তান আছে, তারা কাম করলে টাকা দেয় না। টাকা না দিলে এলাকা থেকে মাইরা বের কইরা দেয়। পুলিশ সবসময় ধরে না, ধরলে দুই-একদিন থাকা লাগে। গতর-খাটার ট্যাকা পুলিশরে না দিয়া দুইদিন জেলখানায় থাকা ভাল’।

শুধু পল্টন-বিজয়নগর নয়, রাজধানীজুড়েই রয়েছে ‘সীমা’দের আনাগোনা। রাতভর এই রাজধানীতে ‘সম্ভ্রম’ হাতের মুঠোয় নিয়ে ‘পরপুরুষ’-এর অপেক্ষায় থাকে প্রায় দেড় হাজার যৌনকর্মী, জীবিকার প্রয়োজনে। নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা, বাস-ট্রাক স্ট্যাণ্ড, নৌ ঘাট, রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রাতভর তাদের দেখা মেলে। সন্ধ্যার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাতভর যে যার মত করে ‘খদ্দের’ ধরতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে অর্থ উপাজর্নের জন্য। দিনের আলোয় ব্যস্ততম যেখানে পা রাখার জায়গা থাকে না, অন্ধকারে সেখানে ভীড় জমায় যৌনকর্মীরা। আবাসিক এলাকার গলি থেকে ব্যস্ততম সড়ক-দ্বীপ সবখানেই তাদের দেখা মেলে। সরকারি-বেসরকারি একাধিক সংস্থার দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্যানুযায়ী, নগরীজুড়ে ভাসমান প্রায় ৫ হাজার যৌনকর্মী রয়েছে। কারও কারও মতে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি।

sex-4অনুসন্ধানে মিলেছে, ভাসমান যৌনকর্মীরা গড়ে ৫ দিন পথে দাঁড়ায়। বাকি দুইদিন অসুস্থতায় কিংবা পরিবারের সঙ্গে কাটে। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দৈনিক প্রায় ৩ হাজার ভাসমান যৌনকর্মী পথে নামে জীবিকার জন্য। একজন যৌনকর্মী একবার মিলিত হওয়ার জন্য ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকে। দৈনিক গড়ে ১০ থেকে ১২ জনের সঙ্গে মিলিত হওয়ার পর রাত শেষে আয় দাঁড়ায় এক হাজার টাকা পর্যন্ত। সপ্তাহান্তে এক-দুইদিন রোজগার বেশি বা কম হয়। আর প্রতি ১৫ দিনে একবার পুলিশ কিংবা সন্ত্রাসীর হাতে ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হয়। নগরীর ভাসমান যৌনকর্মীদের প্রায় অর্ধেক কোনো না কোনো মাদকে আসক্ত। যৌনরোগ তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। অন্যদিকে কমপক্ষে ৩৫ শতাংশ যৌনকর্মী বিভিন্ন প্রতারণা-ধর্ষণ ও সংসার থেকে বিতাড়িত হয়ে এ পথে পা বাড়ায়। এছাড়া এই ভাসমান যৌনকর্মীদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ‘হিজড়া’ রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় আড়ালে-আবডালে রুটিরুজির ধান্ধা করে অনেকেই।

রাত সোয়া একটা। হাইকোর্ট চত্ত্বরের প্রধান ফটকের সামনে। চারপাশে কয়েকটি রিকশা, আর দুই একটি খাবারের দোকান। বেশ কয়েকজন শুয়ে আছেন ফুটপাতের ওপর। খাবারের দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক যৌনকর্মী, নাম পারুল। জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে গাছের নিচে ফুটপাতের ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এই নারী। সাবলীলভাবে শুরু করলেও তার কণ্ঠ থেমে আসে একসময়। ‘ছেলেবেলায় বাড়ি থেকে বের আসার পর একটি এতিমখানায় আশ্রয় হয়েছিল। কিছুদিন থাকার পর সেখানকার কিছু মানুষ যৌতুকবিহীন বিয়ের কথা বলে আমাকে ৩৫ বছর বয়সী একজনের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। আমার বয়স তখন ১২ থেকে ১৩ বছর। আমি সেখান থেকে পালিয়ে আসি।’

কথাগুলো বলতে গিয়ে ঘামছিলেন শ্যামবর্ণের এই ময়েটি। নিজেকে সামলে নিয়ে আবার শুরু করলেন, ‘আরও ৭-৮ বছর পর, তখন একা থাকতাম। একদিন এক সন্ত্রাসী আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে ধর্ষণ করে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি, রক্তাক্ত অবস্থায় একটি ক্লিনিকে সেই আমার চিকিৎসা করায়। পরে আমার সম্পর্কে বাজে কথা ছড়ায়, পরিবার থেকেও আমি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই। কিছুদিন পর এক মাদকাসক্তের সঙ্গে বিয়ে হয়, সে ঘরে খারাপ লোকদের নিতো। আমি রাজি না হলে মারধর করতো। প্রায় ৬ মাস পর আমি প্রায় ৬ বছর আগে এই পথে নামি। গতর খাটাইয়্যা যদি খাইতে হয়, তাইলে স্বামী দিয়া কী করবো? এখন সারাদিন কাজ করি, সন্ধ্যার এইহানে আসি। রাতভর রাস্তায় থেকে ১২শ’-১৫শ’ যা পাই ভালভাবে চলতে পারি। সপ্তাহে একদিন স্বামীর কাছে যাই।’

এ প্রসঙ্গে রাত দেড়টার দিকে হাইকোর্টের সামনে দায়িত্বরত এক টহল পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলছিলেন, ‘যৌনকর্মীদের আনাগোনা থাকে। আমরা বাধ্য না হলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করি না। আবার সবসময় তাদের ছাড় দেওয়ারও সুযোগ থাকে না। কারণ এই যৌনকর্মীদের ক্লায়েন্টরা অধিকাংশই মাদকাসক্ত কিংবা ছিঁচকে অপরাধী। তাদের ধরার জন্য অনেক সময় রেইড দিলে যৌনকর্মীরা সেখানে পড়ে যায়।’

sex-1হোটেল নামের সেক্স ট্রেড সেন্টার
কারওয়ান বাজার, রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা। ব্যবসার বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র পরিচয়ের বাইরে মিডিয়াপল্লী বলেও এই এলাকার নতুন পরিচয় রয়েছে। নানা কারণে এই এলাকায় গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধশত আবাসিক হোটেল। কারওয়ান বাজারের গলি ধরে চলাফেরার করার সময় একটু খেয়াল করলেই চোখে পড়বে ছোট্ট আকারের ভিজিটিং কার্ডের মত কিছু। সেগুলোতে কেবল বড় অক্ষরে মোবাইল নম্বর লেখা থাকে, নামের সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের নাম লেখা থাকে কখনও কখনও। সম্প্রতি তেমনই একটি কার্ড হাতে পেয়ে অনুসন্ধান শুরু করি।

জানা গেল, কিছুদিন আগে যৌন বাণিজ্যের অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া হয় এই এলাকার বেশকিছু আবাসিক হোটেল। মাস দুয়েক আগে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে মোটা অঙ্কের মাসোহারা ও অগ্রিম টাকা দেওয়ার পর ফের শুরু হয়েছে যৌন বাণিজ্য।

মাসের শেষ সপ্তাহ। এক সন্ধ্যায় ফোন করি : ৪৫৪১১৪২ নম্বরে। উদ্দেশ্য ওপার থেকে রাজু নামের কারও সঙ্গে কথা বলা। ‘আমি তোমার মনের ভিতর একবার ঘুরে আসতে চাই..’ শোনার পর জবাব আসে, হ্যালো, কে বলছেন? ‘আমি রাজু নামের একজনের সঙ্গে কথা বলতে চাই..’ জানাতেই পাল্টা কিছু প্রশ্ন। সেগুলোর জবাব দেওয়ার পর কোথায় অবস্থান করছি জানতে হাওয়া হয়। শাহবাগ বলার পর উত্তর এলো, বনানী কাকলীতে আসতে কতক্ষণ লাগবে? উত্তর দেওয়ার পর ঠিক হলো এক ঘন্টার মধ্যে আসছি।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা। কাকলী বাসস্ট্যান্ডে এসে ফোন করি। এবার ওভারব্রিজের সামনে দিয়ে অল্প এগিয়ে মোড়ে ছোট্ট পান দোকানের কাছে দাঁড়াতে বলা হয়। সেখানোর দাঁড়ানোর পরই মাঝারী গড়নের শ্যামবর্ণের এক যুবক সামনে এসে দাঁড়ায়। তাকে অনুসরণ আরেকটু মহাখালীর দিকে অল্প একটু সামনে এগিয়ে ডানদিকেই গলিতে ঢুকে পড়ে ছেলেটি। সেখানে আরও কয়েকজন দাঁড়ানো ছিলো। গলির এ কোনায় কলাপসিবল গেইট লাগানো সিঁড়ি, তার বিপরীতে একটি ছোট্ট পানের দোকান। কিছু না বলেই ছেলেটিকে অনুসরণ করে সিঁড়ি বেয়ে তিনতলায় উঠে যাই। হাতের ডানপার্শ্বে সিড়ি। সিড়ির মুখেই বেশ কয়েকজন যুবক দাঁড়ানো, একটি কাঠের বেঞ্চিতে দুই-তিনজন মেয়েও বসে আছে। উৎকট মেকআপ আর গায়ে রঙ্গিণ গেঞ্জি বলে দিচ্ছে তারাও যৌনকর্মী।

sex-3সরু গলি ধরে বেশ কয়েকটি কামরা পেরিয়ে গলির প্রায় শেষ মাথা, ছেলেটি ডানপার্শ্বে একটি কাঁচে ঘেরা ঘরে ঢুকলো, সেখানে সারিবদ্ধ হয়ে বসে আছে বিভিন্ন বয়সী কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ জন। কেউ বসে আছে, কেউবা খুনসুঁটিতে ব্যস্ত সতীর্থদের সঙ্গে। ইশারায় যে কোনো একজনকে বেছে নেওয়ার ইঙ্গিত করে। খানিকক্ষণ অপেক্ষা করি। চারপাশের উৎকট গন্ধ নাকে লাগে। রাত তখন প্রায় ৮টা। গলির ভেতরে আরও অনেকেই চলাফেরা করছে। ছেলেটি বেরিয়ে এসে কিছু না বলে হাত ধরে একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে ঢুকে বলে, ‘মামা, আপনি ভিআইপি খাবেন?’ হ্যাঁ সূচক উত্তর পেয়ে দুই-তিন সেকেণ্ড চুপ থেকে আবার বলে ওঠে, ‘এক শট এক হাজার টাকা, তার চাইতে এখানেই এক ঘন্টা একটা দিয়ে দেই। আর দুইশ টাকা দিয়েন, ৩টা করতে পারবেন, সার্ভিস ভাল হবে। ওয়েস্ট ইনের মেয়েরা ভাল, তারা খারাপ ব্যবহার করে না। আপনি বসেন, দেখি..’। ছেলেটি বের হয়ে যায়। ঘরটি খুব বড় নয়, চারপাশে নোংরা-আবর্জনা। দুই-একটি কনডমের খালি প্যাকেটও আছে। বাথরুমের দরজা নেই, সেখানে আলো জ্বলছে। বাথরুমের পাশেই জানালা, বিশেষভাবে ঢেকে রাখা। এপার থেকে ব্যস্ততম সড়কটির সবকিছু দেখা যাচ্ছে, কিন্তু ওপাশ থেকে দেখার উপায় নেই। ময়লা বিছানার চাদর, তখনও এলোমেলো। বিছানার ওপর একপাশে কনডমের খালি প্যাকেট, দূর্গন্ধে টেকা দায় হলে বেরিয়ে আসি। আমি বের হতেই কক্ষের ভেতর হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে এক যুবক, পেছনে গেঞ্জি আর জিন্স প্যান্ট পরা একটি পাতলা গড়নের মেয়ে। কিছুক্ষণ পর দরজা বন্ধ হয়, তখনও আলো আসছিলো দরজার নিচ দিয়ে।

কিছুক্ষণ পর ছেলেটি ফিরে আসে, সঙ্গে একটি অল্পবয়সী মেয়ে। চোখে মুখে তার তৃপ্তির হাসি। কিন্তু কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে আসায় তারা দুইজনই বিরক্ত। মেয়েটি কিছু একটা বলে চলে গেল, ছেলেটি অপেক্ষা করতে হবে বলে একপাশে ডেকে নিয়ে বললো, ‘সব এনগেজ, একটু নিচ থেকে ঘুরে আসেন। কিছু বললে আমার কথা বলেন। আর কিছু টাকা দিয়ে যান। তিন-চারশ’ বুকিং’। তার হাতে দুইশত টাকা ধরিয়ে দিলে পুতি-দূর্গন্ধময় আবাসিক হোটেলের সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে থাকি, তখনও অনেকেই সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে যাচ্ছে। নিচে নামার পর আবও একবার খেয়াল করি, এই যৌন বাণিজ্য কেন্দ্রের নাম ‘ওয়েস্ট ইন’।

sex-2অনুসন্ধানে জানা গেছে, হোটেলটির তিনতলা থেকে ছয়তলা পর্যন্ত এই বাণিজ্য চলে। ওপরের তলায় ‘ভিআইপি’ বলে কিছু যৌনকর্মী থাকে। সাধারণ যৌনকর্মীর বেলায় প্রত্যেকবার পাঁচশ’ টাকা থেকে সাড়ে পাঁচশ’ টাকা আর ‘ভিআইপি’ হলে এক হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। এই টাকা থেকে যৌনকর্মীরা পায় ৮০ থেকে ২০০ টাকা। দালালরা পায় একশ টাকা, বাকি টাকা জমা হয় ফাণ্ডে। এই ফাণ্ড থেকেই মালিক সবকিছু ম্যানেজ করে। দৈনিক সকাল ৯ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত দুই শিফটে এখানে প্রায় ২০০ জন যৌনকর্মী আসে। আর একজন যৌনকর্মী আট ঘন্টায় কমপক্ষে ১৫ জনের সঙ্গে মিলিত হয়। সাধারণ যৌনকর্মীদের কেউ কেউ কনডম নিলেও বকশিশ দিলে ‘ভিআইপি’ যৌনকর্মীরা কনডম ছাড়াও মিলিত হয়। পুলিশ বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা রেইড দেওয়ার আগেই খবর পেয়ে পাততাড়ি গুছিয়ে নেয়। প্রায় ৩ বছরের বেশি সময় ধরে এই হোটেলে যৌন বাণিজ্য চললেও এখন পর্যন্ত এখান থেকে কোনো যৌনকর্মী-দালাল আটক করা হয়েছে- এমন তথ্য মেলেনি।

এটি বনানীর বহুল আলোচিত কথিত আবাসিক হোটেলগুলোর একটি। এরকমই আরো প্রায় অর্ধশত ‘আবাসিক হোটেল’ হোটেল নামের যৌন বাণিজ্য কেন্দ্র রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই হোটেলগুলোতে কমপক্ষে এক হাজার যৌনকর্মীর আনাগোনা হয়। প্রত্যেকটি হোটেলে দিনভর প্রায় তিনশ’ খদ্দের আসা যাওয়া করে। ছুটির দিনগুলোতে এই সংখ্যা বাড়ে। এই যৌন বাণিজ্য থেকে প্রতিমাসে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করে পুলিশ প্রশাসন। টাকার অঙ্ক নিয়ে বনিবনা না হলে পূর্ব ঘোষণা দিয়ে রেইড করে পুলিশ। একাধিক সূত্র দাবি করেছে প্রতিটি হোটেল থেকে প্রতিমাসে কমপক্ষে তিন লাখ টাকা আদায় করা হয় প্রশাসনের নামে। প্রায় মাস দুয়েক আগে কমপক্ষে ৩ মাস বন্ধ করে রাখার কারণ ছিল দ্বন্দ্ব। পূর্বের তুলনায় হোটেল প্রতি প্রায় এক লাখ টাকা মাসোহারা বৃদ্ধির পরই নতুন করে চালু হয়েছে ব্যবসা। মাঝে মাঝে কৌশলগত কারণে বন্ধ রাখা হয় এটি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর পল্টন, বিজয়নগর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, কাকরাইল, মগবাজার, ফার্মগেট, মিরপুর, গাবতলী, বনানী, বিশ্বরোডসহ প্রায় অর্ধশতাধিক স্পটে অবাসিক হোটেলের নামে যৌন বাণিজ্য চলছে। নগরীতে হোটেল ভিত্তিক যৌনকর্মীর সংখ্যা পাঁচ হাজারের কাছাকাছি, বিভিন্ন সময়ে এই সংখ্যা কমবেশি হয়। দৈনিক আবাসিক হোটেল এবং বোর্ডিং নামের যৌন বাণিজ্য কেন্দ্রগুলোতে কাজ করে প্রায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার যৌনকর্মী। একজন যৌনকর্মী দৈনিক গড়ে ১৫ জনের সঙ্গে মিলিত হয়। দিনশেষে তার আয় দাঁড়ায় ১২ থেকে ১৫শ’ টাকা। অন্যদিকে এই যৌনকর্মীদের দেহ ও সম্ভ্রমকে পুঁজি করেই দৈনিক প্রায় ২০ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়, এই টাকার অর্ধেক চলে যায় প্রভাবশালী মালিকপক্ষের কাছে। আর বাকি অর্ধেক ভাগবাটোয়ারা হয় দালাল ও যৌনকর্মীর মাঝে। মালিকপক্ষ প্রশাসন ও স্থানীয় রাজনৈতিক ক্যাডারদের ম্যানেজ করে বলে তথ্য রয়েছে।

এই তথ্যের সত্যতার সন্ধানে মগবাজারের একটি হোটেলে কথা হয় সালমা নামের এক যৌনকর্মীর সঙ্গে। ছদ্মনামের প্রায় ১৯ বছর বয়সী এই মেয়েটির বাড়ি খুলনায়। সে জানায়, ‘আমগো শরীল দিয়া বাণিজ্য হয়, হেইডা থেইক্যা আমরা পাই তিনভাগের একভাগেরও কম। ধরেন আপনে ৩০০ ট্যাকা দিয়া কাম করলেন, আমারে দিলো ৮০ টাকা, আর সত্তর ট্যাকা রাখলো যেই নিয়া আইছে হেই ব্যাটা। বাকি ট্যাকা ফাণ্ডে জমা হয়। অহন তো আর ফেরার উপায় নাই, তাই সহ্য করি।’

sex-7ভাবী-আন্টিদের রঙ্গশালা!
রাজধানীর যৌনবাণিজ্যে ‘ভাবী’ বা ‘আন্টি’ বহুল ব্যবহৃত শব্দ। ভাসমান, হোটেল এর বাইরে আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট বাসায় ‘কিছুটা উঁচু’ গোছের যৌনকর্মীরা এই ‘ভাবী’ ও ‘আন্টি’দের নিয়ন্ত্রণে। এগুলো নিয়ে আড়ালে-আবডালে কথা হলেও সবসময় এই ‘অভিজাত যৌনপল্লী’র নিয়ন্ত্রকরা থাকেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। অনুসন্ধানকালে এই যৌন বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক খুঁজতে গিয়ে গলদঘর্ম হতে হয়েছে, পড়তে হয়েছে নানা বিড়ম্বনায়ও। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় বহুবছর ধরে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠা লাভ করছে ‘অভিজাত যৌনপল্লী’। উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বেসরকারি চাকুরে থেকে শুরু করে গৃহকর্মী নারীদের কেউ কেউ এই বাণিজ্যের পণ্য হচেছন। জীবন যাত্রার ব্যয় মেটাতে অনেকেই আবাসিক এলাকায় খুলছেন যৌন বাণিজ্য কেন্দ্র। সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী খুঁটির জোরেই এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে। রাজনৈতিক প্রভাব এবং প্রশাসনের দায়িত্বশীল কিছু ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের সূত্র ধরেই এই বাণিজ্য চলছে। মুঠোফোন আর পূর্ব পরিচয় হচেছ এই বাণিজ্যের গোপনীয়তার শর্ত। মুঠোফোনে আলাপের পর বিশ্বস্ত কারও নাম ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই পা বাড়ায় যৌন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতরা। অনুসন্ধানের জন্য শুরুতেই আমরা সন্ধান করি এই ধরনের বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একাধিক ‘ভাবী’ ও আন্টি’র। বেশকিছু তথ্য উপাত্তের পর সেখান থেকে বেছে নিয়ে কৌশলের সঙ্গে পা বাড়াই।

মাসের প্রথম সপ্তাহ। আমরা ফোন করি একটি মুঠোফোনে। ওপার থেকে ভরাট গলায় একজন জানতে চান, ‘নম্বরটি কী আমাদের কারও কাছ থেকে পেয়েছেন?’ উত্তর পেয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার পর ওপার থেকে বলা হয়, ‘কখন আসবেন?, রাত ৯ টার পর কাউকে অ্যালাউ করি না। আর রেট তো জানেন, দুই হাজার টাকা এক শট। আসতে চাইলে বলেন, আমি বুকিং দিয়ে রাখি’।

ঠিক হলো, আমরা সন্ধ্যায় আসছি। সঙ্গে এক বন্ধু থাকবেন। ট্যাক্সিযোগে আমাদের প্রথম গন্তব্য মিরপুর দশ নম্বর। সেখানে পৌঁছুনোর পর ফোনে জানানো হলো, ‘আসলে আমরা একটা অন্য জায়গায় আটকে গেছি, দেরি হচ্ছে। এখানেও ভাল মাল আছে। চাইলে চলে আসতে পারেন, কল্যাণপুরের আরও সামনে।’ আমরা সেই মোতবেক অনুসরণ করি। আর দুই দফায় ঠিকানা বদলানোর পর শেষ গন্তব্য লালমাটিয়ার শেষ প্রান্ত, মোহাম্মদপুরের কাছকাছি। মেইন রোডে নেমে ফোনের কথামতো অনুসরণ করতে করতে পৌঁছাই একটি গলির ভেতরে। গলির শেষ মাথায় বিলাসবহুল একটি ছয়তলা ফ্ল্যাট। মূল ফটকের আগেই নিশ্চিত করে সঙ্গে বাড়তি কেউ আছে কিনা? তারপর ‘মূল ফটক খোলা আছে, দোকান থেকে কোল্ড ড্রিংকস বা অন্য কোনো খাবার নিয়ে ভদ্র অতিথির মত ভেতরে আসেন। তিন তলার আগে ফোন দেন।’ কথামতো আর কিছু ঝক্কির পর পৌঁছাই গন্তব্য পর্যন্ত। এরপর কিছুসময় অপেক্ষা করে একটি এনজিও’র কর্মী পরিচয় দিয়ে কথা বলি। কিছু প্রাথমিক তথ্য ও জানার পর ‘এক হাজার’ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিয়ে বেরিয়ে আসি। নিচে নেমে আসার পর দারোয়ান পরিচয়ে আরও একজন এসে বকশিশের নাম করে দুইশ টাকা চায়, তার সঙ্গেও কথা বলি।

sex-10অনুসন্ধানে মিলেছে, নগরীজুড়ে এইরকম প্রায় ১৫টি অভিজাত এলাকায় শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং বাড়াবাড়ি রকম গোপণীয়তার মধ্য দিয়ে যৌন বাণিজ্য চলছে। কমপক্ষে দেড় শতাধিক আবাসিক ফ্ল্যাটে যৌন বাণিজ্য চলে। একটি ফ্ল্যাটে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ জন পর্যন্ত যৌনকর্মী উপস্থিত থাকে। একবার মেলামেশার জন্য কমপক্ষে দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত গুণতে হয়। আর যৌনকর্মীরা পায় প্রতিবারের জন্য পাঁচশ’ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত। ফ্ল্যাট বাসায় এলাকাভেদে ব্যয়ের অঙ্ক কমবেশি হয়। আর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিচয়ে যৌনকর্মীরা আসে। এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক রাজধানীর থেকে নির্দ্দিষ্ট সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে আসে। ফ্ল্যাটে থাকে আত্মীয় পরিচয়ে। আর যৌন বাণিজ্যের সামনে থাকা ‘ভাবী’, আন্টি’র নেপথ্যের শক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী কোনো চক্র। ফ্ল্যাটের দারোয়ান বা সিকিউরিটি গার্ডরা মাসে উপরির বিনিময়ে প্রচ্ছন্নভাবে সাহায্য করছে। যান্ত্রিকতার কারণে ফ্ল্যাটে অতিথি বেশে কে আসছে? কে কার বাসায় যাচ্ছে? খোঁজ করার সময় কী কারও আছে?

সূত্র আরও জানায়, নগরীতে এই ধরনের যৌন বাণিজ্যে গোপণীয়তার কারণে বেসরকারি সংস্থাগুলো সবসময় সঠিক সংখ্যা বের করতে হিমশিম খায়। একাধিক সংস্থার মতে, ফ্ল্যাট বাসায় যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করা যৌনকর্মীর সংখ্যা আড়াই হাজারের বেশি। এদর অর্ধেকেই স্বামীর অক্ষমতা বা সংসারের স্বচ্ছলতার জন্য এসব করে। যৌন তাড়না থেকে ফ্ল্যাটে আসেন এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয়। যারা শখ ও অর্থের চাহিদা দুটোই একসঙ্গে পূরণে বিশ্বাসী। অভিজাত এলাকায় বসবাস এবং চলাফেরায় শৌখিনতার ছাপ দেখে যৌনকর্মী বা এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত বলে বোঝার উপায় থাকে না।

Wednesday, August 21, 2013

বিশ্বনবী (সা.)'র জীবনী সংক্রান্ত ছায়াছবি দেখাবে বিবিসি-২


বিশ্বনবী (সা.)'র জীবনী সংক্রান্ত ছায়াছবি দেখাবে বিবিসি-২
আন্তর্জাতিক : চলতি সপ্তাহে বিবিসি টেলিভিশনের দুই নম্বর চ্যানেল বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র জীবনী সংক্রান্ত প্রামাণ্য ছায়াছবি সম্প্রচার করবে।

বিশিষ্ট চলচিত্র নির্মাতা 'রাগেহ ওমর' ২০১১ সালে 'The Life of Muhammad' বা "মুহাম্মাদ (সা.)'র জীবনী" শীর্ষক তিন পর্বের এই ছায়াছবি নির্মাণ করেছিলেন।

আমেরিকার জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক জন অ্যাস্পোজিটু হাফিংটোন পোস্ট পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, 'গ্যালোপ' ও 'পিউ'র পরিচালিত জনমত জরিপে দেখা গেছে, আমেরিকা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ও ইউরোপের বেশিরভাগ জনগণই বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.), ইসলাম ও ইসলামের শিক্ষা সম্পর্কে সচেতন নন, বরং মুসলমানদের সম্পর্কে তাদের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে।

রাগেহ ওমর "মুহাম্মাদ (সা.)'র জীবনী" শীর্ষক এই প্রামাণ্য ছায়াছবি সম্পর্কে বলেছেন, এই ছায়াছবিতে মহানবী (সা.)'র জন্মের পর থেকে ইন্তিকাল পর্যন্ত নানা ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। মক্কা থেকে মদীনায় বিশ্বনবী (সা.)'র হিজরত, ইসলামি রাষ্ট্রের সূচনা, নানা সামরিক বিজয়, রাজনৈতিক নানা সাফল্য ও (মুসলমানদের প্রথম কেবলা অধ্যুষিত) বায়তুল মুকাদ্দাসে তার সফর এইসব ঘটনার অন্যতম।

এই ছায়াছবির ডিরেক্টর ও 'মুসলিম বিশ্বের সাত বিস্ময়' শীর্ষক মহানবী (সা.)'র জীবনী সংক্রান্ত ছায়াছবির খ্যাতিমান পরিচালক ফার্স কেরমানি বলেছেন, এই ছায়াছবিতে বিশ্বনবী (সা.)'র পবিত্র চেহারার কোনো দৃশ্য নেই এবং ঘটনাবলীর বর্ণনায় কোনো অতিরঞ্জন বা বিকৃতি নেই।

আমেরিকা-ইসলাম সম্পর্ক পরিষদের নির্বাহী পরিচালক ইব্রাহিম হুপার বিশ্বনবী (সা.)'র জীবনী সম্পর্কে শিক্ষামূলক তথ্য প্রচারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, আমাদের জরিপে সব সময়ই দেখা গেছে, মার্কিন সমাজে ইসলাম ধর্ম ও মুসলমানদের সম্পর্কে সচেতনতা খুবই কম। এ ধরনের প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণের ফলে জনগণ ইসলাম ও মুসলমানদের সম্পর্কে অবহিত হবে এবং ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। - রে. তে

যে দম্পত্তিরা বেশি সেক্স করে তাদের আয় বেশি!

যে বিবাহিত দম্পতিরা সপ্তাহে ৪ বারের বেশি উষ্ণ শারীরিক সম্পর্ক বা দৈহিক মিলনে অভ্যস্ত, তারা কর্মক্ষেত্রে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে। ২৬ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে সেক্স ও বেতনের মধ্যে একটি যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। যারা নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কে জড়ান, তারা বেশি অর্থ উপার্জন করেন।
জার্মানির স্টাডি অব লেবার ইনস্টিটিউটে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য দেয়া হয়েছে। যে কর্মচারীরা সপ্তাহে ৪ বারের কম সেক্স করেন কিংবা একেবারেই করেন না, তাদের সঙ্গে তুলনামূলক পর্যালোচনার পর এ তথ্য দেয়া হয়েছে। গবেষক নিক ড্রাইডাকিস বলেন, যারা সপ্তাহে ৪ বারের বেশি শারীরিক সম্পর্কে জড়ান, তারা প্রায় ৫ শতাংশ বেশি অর্থ উপার্জন করেন। তাদের মানসিক স্তিতিশীলতাও বেশি। একই সঙ্গে তারা তুলনামূলকভাবে আরও বেশি বহির্মুখী স্বভাবের। ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ ও বাতের মতো স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে তারা অধিক নিরাপদ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ। যারা একটু বেশি ব্যস্ত থাকেন, তারা অন্যদের চেয়ে সুখী জীবনযাপন করেন ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হন। আর সেটা অফিসের কাজে ইতিবাচক পারফর্মেন্সের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মানুষ ভালবাসা চায়, সেটা শারীরিকই হোক বা মানসিক। এর অনুপস্থিতিতে কারও জীবনে খুব সহজেই স্থান করে নিতে পারে একাকীত্ব, সামাজিক উদ্বেগ, উদ্যমহীনতা ও হতাশা। আর তা তাদের কর্মজীবনকে আক্রান্ত ও গ্রাস করতে পারে। ‘দি ইফেক্ট অব সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি অন ওয়েজেস’ শিরোনামে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। গ্রীসের নাগরিকদের ওপর প্রায় ৭,৫০০টি জরিপ পরিচালনার পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ২৬ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে সেক্স ও অর্থ উপার্জনের সম্পর্কটা সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। সপ্তাহে মাত্রাতিরিক্ত দৈহিক মিলনে অতিরিক্ত কোন সুফল নেই। তবে তা বেশি অর্থ উপার্জন শারীরিক সম্পর্ককে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিতে পারে। অর্থাৎ, যৌন সম্পর্কে অধিক সক্রিয় থাকার ব্যাপারে আরও বেশি উৎসাহিত হয়ে উঠতে পারেন কেউ কেউ।
লাদেন তখন ছিলেন খেলায় মগ্ন!
ডেস্ক: পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে আলকায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে ধরার অভিযান চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বেশকিছু সময় তাস খেলায় মগ্ন ছিলেন। প্রেসিডেন্টের সাবেক দেহরক্ষী রেজি লাভ জানিয়েছেন, যখন সবাই অভিযানের সংবাদ জানার জন্য পর্যবেক্ষণ কক্ষে অপেক্ষা করছে, প্রেসিডেন্ট ওবামা অভিযানের পুরো সময়টা সেখানে অবস্থান করতে চাননি।
পলিটিকোতে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, রেজি লাভ ইউসিএলএ লাসকিন স্কুলের জিম নিউটনকে বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা, হোয়াইট হাউজ ফটোগ্রাফার পিট ডিসুজা, ওবামার সহযোগী মারভিন নিকোলসন এবং সে ৪ জন মিলে একটি প্রাইভেট ডাইনিং রুমে কয়েক দান তাস খেলেন। কমপক্ষে ইস্কাবনের ১৫ দান তো হবেই, যোগ করেন রেজি লাভ।

স্বামী-স্ত্রীর যৌনদৃশ্য ধারণ : সাংবাদিক গ্রেপ্তার


 স্বামী-স্ত্রীর যৌনদৃশ্য ধারণ : সাংবাদিক গ্রেপ্তার
নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি : স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ে অভিযোগে স্থানীয় এক পত্রিকার সাংবাদিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ওই সাংবাদিকের নাম সুমন আহাম্মেদ। সে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘নীর বাংলা’ নামের একটি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার বলে পরিচয় দিয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  পরে তার কম্পিউটার তল্লাশী করে সেখান থেকে ওই ভিডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে। সুমন সস্তাপুর এলাকার শেখ আলী মিয়ার ছেলে।

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই হাবিব জানান, সোহরাব ও তার স্ত্রীর যৌন মিলনের একটি দৃশ্য কোনভাবে মোবাইলে ধারণ করে ফেলে তারই খালাতো ভাই সুমন।

স্বামী সোহরাবের দাবী, অসাবধানতায় তাদের ঘরের দরজা খোলা থাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার সোহরাবের কাছে ওই ভিডিও ক্লিপিংয়ের জন্য ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে সুমন। টাকা না দিলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দিবে বলেও হুমকি দেয় সুমন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে বুধবার দুপুরে পুলিশ সুমনকে তার বাড়ির থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় সুমনের কম্পিউটারে তল্লাশী চালিয়ে ওই ভিডিওটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের এসআই হাবিব জানান, দম্পতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এদিকে গ্রেফতারকৃত সুমন জানিয়েছে, অভিযোগকারী তরুণী সর্ম্পকে তার খালাতো বোন হয়।

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে টপলেস নারী!

রাশিয়াতে গাড়ি চালকদের ৪০ কিমি স্পিডের নীচে রাখতে রাস্তায় টপলেস মডেলদের হাতে ট্রাফিকের দায়িত্ব ন্যস্ত করেছেন কর্তৃপক্ষ।


রাশিয়ার নিজনি নবগোরদ অঞ্চলের এক ব্যস্ত রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে এসব টললেস মডেল ঘণ্টায় ৪০ কিমি গতিবেগের ওপরে যারা গাড়ি চালিয়ে যান তাদের সংকেত দিয়ে স্পিড কমিয়ে আনেন।

তবে যারা স্পিড কমান তাদের ভেতর ছিল সিংহভাগই পুরুষ চালক।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার সড়কে ঘণ্টায় ৪০ কিমি এর বেশি বেগে গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। তবে খুব কম লোকই এই আইন মেনে চলে। ২০১২ সালে ৫৯,৬১৭,২২২ বার এ আইন ভঙ্গ করা হয়।

Monday, August 19, 2013

পর্নো স্টারের অনুশীলন


পর্নো স্টারের অনুশীলন
বিনোদন প্রতিবেদক : নতুন করে নিজেকে সাজিয়ে নিচ্ছেন পর্নো তারকা সানি লিওন। এ পরিচয়টা ঝেড়ে ফেলতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

বর্তমানে কঠিন অনুশীলন শুরু করেছেন। নিজের সেক্সি ইমেজ ঝেড়ে আগামী ছবিতে এবার হার্ডকোর বক্সারের ভূমিকায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি।

ডিভাং ঢোলাকিয়া পরিচালিত ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’ ছবিতে একজন নারী বক্সারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। এর জন্য সানি এখন দিন রাত কঠিন বক্সিং অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

সানির প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ব বক্সিং প্রতিযোগিতায় তিনবারের চ্যাম্পিয়ন টেরি নরিস। যিনি বক্সিং দুনিয়ায় টেরিবল টেরি নরিস নামেও পরিচিত। ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’ ছবিতে কঠিন কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য নরিস সানিকে এখন বক্সিংয়ের জটিল কিছু মার অনুশীলন করাচ্ছেন।

সব মিলিয়ে সানি এখন ভিন্ন রুপে হাজির হচ্ছে দর্শকদের সামনে।

‘ডার্টি পিকচার-২’তে নগ্ন হবেন বিদ্যা!


 
 

বিনোদন ডেস্ক: ‘ডার্টি পিকচার’ ছবির পর থেকে নিন্দুকের নিন্দা যেমন শুনেছেন, ঠিক তেমন সমালোচকের মনও জয় করেছেন বিদ্যা বালান। ছবিটিতে প্রথমবারের মতো খোলামেলা হয়ে কাজ করেছেন এ নায়িকা। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন ‘ডার্টি পিকচার- ২’তে প্রয়োজনে নগ্ন হতেও রাজি তিনি।

সম্প্রতি এ ছবির প্রযোজক একতা কাপুর একটি পার্টি আয়োজন করেছিলেন, যেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বিদ্যা বালান। এ পার্টিতে আলোচনা হয় ‘ডার্টি পিকচার-২’ নির্মাণের।
‘ডার্টি পিকচার’-এর সিকুয়ালে অভিনয়ের জন্য রাজি বিদ্যা। বিষয়টি সম্প্রতি মিডিয়াকেও জানিয়েছেন তিনি। আর এর জন্য আগের মতো খোলামেলা হয়ে কাজ করতেও তার কোনো দ্বিধা নেই। বিষয়টি ফলাও করে প্রচার করছে ভারতীয় মিডিয়াগুলো।

তবে পার্টিতে কী আলোচনা হয়েছে, কী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা গোপন রাখা হয়েছে। একতা কাপুরের কাছে এ বিষয়ে মিডিয়ার পক্ষ থেকে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি শুধু এটুকু বলেন, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’-এর ঘোষণা সামনে আসতে পারে।

এ বিষয়ে বিদ্যা বালান বলেন, ‘পার্টিতে এ ছবিটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে পাকাপাকি সিদ্ধান্ত একতাই দেবেন। খুব শিগগিরই হয়তো তিনি ঘোষণা দেবেন এ ছবির।

আর এরকম কিছু হলে আমি অবশ্যই তাতে অভিনয় করতে রাজি। তার জন্য নগ্ন হতেও কোনো আপত্তি নেই আমার। যেভাবে দর্শকরা আমাকে দেখতে চায় সেভাবে উপস্থাপিত হতে আমার নিজের কাছেও ভাল লাগে। আসলে সফলতার ধারাবাহিকতাটা বজায় রাখাটাই এক্ষেত্রে আমার প্রধান লক্ষ্য হবে।’

কম বয়সের তুলনায় বয়ষ্ক মহিলারা সেক্স বেশি উপভোগ করেন

মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে এবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁরা কম বয়সের তুলনায় সেক্স বেশি উপভোগ করেন।কারণ, তাদের মনে আশঙ্কা থাকে
যৌনজীবন শেষ হওয়ার।এমনটাই জানা যাচ্ছে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে।সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে এবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে
তখন তাদের যৌনক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকে।আর সেই কারণেই তাদের মনে ভয় আসতে থাকে। তখনই তারা সেক্স বেশি করতে থাকেন। তারা এই বয়সে সেক্স নিয়ে অনেক কল্পনা
করতে থাকেন।আর সেই কারনেই জন্ম নেয় ‘কাউগার’ সিমটম-একজন মহিলা তখন তার থেকে কমবয়সী সহযোগীর খোঁজ করেন।প্রায় ৯শ’ জন মহিলার ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই
সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে বলে জানা গেছে

Sunday, August 18, 2013

সম্মোহন’-অবচেতন মনকে বশে রাখার কৌশল

হুমায়ুন আহমেদের ‘মিসির আলীর অমনিবাস’, ‘হিমু’ এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কাকাবাবু’ চরিত্রে সম্মোহনের বিষয়টি দেখা যায়। তাছাড়া বিদেশী চ্যানেল ‘ডিসকভারি’তেও মাঝে মাঝে সম্মোহনের ওপর তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

অনেকেই ভেবে থাকেন বাস্তবে কী এর অস্তিত্ব আছে, যদি থেকেও থাকে তবে কী ভাবে সেটা আয়ত্ত করা যায়, এ বিদ্যা শিখে কী কী লাভ হয়, এর প্রয়োগে কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা আছে কী না?

প্রথমে লাভের কথা ধরা যাক। লাভ অপরিসীম। কতটা, তা এখনও সম্পূর্ণভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এটি একটি অতি প্রাচীন বিদ্যা হলেও একে বহুদিন মানুষ অবহেলা বা ভয়ের চোখে দেখে এসেছে। বর্তমানে হাজার হাজার গবেষক কাজ করছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর বহুমুখী ফলপ্রদ প্রয়োগ আবিষ্কারের জন্য।  সম্মোহনের হালকা বা মাঝারি স্তরের কৌশল আয়ত্ত করতে পারলেই এই বিদ্যা প্রয়োগ করে আপনি গভীর উদ্বেগ, উত্তেজনা, যৌন অনীহা বা অক্ষমতা, অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান এবং তোতলামিসহ অনেক সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

গভীর বা সোমনামবিউলিস্টিক স্তরে পৌছুতে পারলে প্রচণ্ড দাঁতের ব্যথা, অস্ত্রোপচারের বেদনা, এমন কি গর্ভযাতনা থেকেও নিষ্কৃতি পেতে পারেন।

এছাড়া অপর কোনো ব্যক্তিকে ‘সাজেশন’ দিয়ে আপনি আড়ষ্ঠ করে দিতে পারবেন। এবং অন্যকে সাময়িক সময় নিজের বশে রাখতে পারবেন। অনেকে বলে থাকেন, ভারতীয় উপমহাদেশের সাধু-সন্ন্যাসীরা এই বিদ্যা আয়ত্ত করে তাদের ভক্তদের মোহিত করে রাখতেন। যাকে সাধারণ মানুষ ‘মন্ত্র-তন্ত্র’ বলে বিশ্বাস করতো।

১৮৪০ সালে জেমস এসডেইল বলে এক ব্রিটিশ সার্জেন ভারতে তিন হাজার রোগীকে অপারেশন করেছিলেন সম্মোহনের সাহায্যে অঙ্গ অসাড় করে দিয়ে। কিন্তু এর তেমন প্রসার হয়নি। কারণ এর কিছুদিনের মধ্যেই আবিষ্কার হয়ে গেল ক্লোরোফর্ম এবং ইথার দিয়ে মানুষকে অজ্ঞান করার পদ্ধতি।

সম্মোহন বিদ্যার বই বাংলাদেশে খুবই বিরল। দু একজন ইংরেজি লেখকের বইতে এর কৌশল রপ্ত করার পূর্নাঙ্গ পদ্ধতি দেয়া আছে।

এই প্রতিবেদনে ‘ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম’ এর পাঠকদের জন্য সম্মোহন কী তা বিশ্লেষণ করা হল। পরবর্তীতে এর কৌশল আয়ত্ত করার পদ্ধতি বর্ণনা করা হবে।

পর্ব ১. একজন সম্মোহনকারী(Hypnotist) যখন অপর কাউকে সম্মোহন করেন, তখন সেটাকে বলা হয় hetero hypnosis, বা পর-সম্মোহন। কিন্তু সম্মোহনকারী যখন নিজেই নিজেকে সম্মোহন করেন, তখন তাকে auto বা self hypnosis বা আত্মসম্মোহন বলে।

আত্মসম্মোহন হচ্ছে, সংক্ষেপে বলতে গেলে এমন একটা বিদ্যা যার মাধ্যমে আপনি আপনার মহাশক্তিশালী অবচেতন মনকে নিজের ইচ্ছেমত বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারেন। চেতন ও অবচেতন মনের যোগ-সাধনা করা এবং চেতন মনের আদেশ বা নির্দেশ অবচেতন মনে পৌঁছে দেয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হচ্ছে আত্মসম্মোহন। এর তিনটি স্তর আছে-হালকা বা lethargic স্তর, মাঝারি বা cataleptic স্তর ও গভীর বা somnambulistic স্তর।

অবেচতন মন: প্রায় সবারই জানা,  ভেতরের মন বলে একটা জিনিস রয়েছে সবার মধ্যে, নানান জনে নানান নামে ডাকে এটাকে-অবচেতন, অচেতন, সবাজেকটিভ, সাবলিমিনাল, ইউ-কত কী। আমারা এটাকে অবচেতন মনই বলব।

সম্মোহিত অবস্থায় সাজেশন দিয়ে রক্ত চলাচল, হার্টবিট ও শরীরের জ্বর কমানো যায় খুব সহজে, জখম সারিয়ে তোলা যায় খুব দ্রুত।রাশিয়ান মনস্তত্ববিদ কে. প্ল্যাটোনভের ‘সাইকোলজি অ্যায উই মে লাইক ইট’ বইয়ের ৩৫ পৃষ্ঠায় একটা হাতের ফটোগ্রাফ রয়েছে-হাতের ওপর একটা ফোস্কা। সম্মোহিত অবস্থায় এই হাতের ওপর একটা ঠাণ্ডা ধাতুর মুদ্রা ঠেসে ধরে শুধু বলা হয়েছিল ওটা প্রচণ্ড গরম, সাথে সাথেই ফোস্কা উঠেছিল জায়গাটায়।

এটাই হচ্ছে সম্মোহন। অবচেতন মনকে নিজের ‘সাজেশন’ বা নির্দেশ মতো অনুভব করানো।

পাঠক, এখানে শুধু সম্মোহনের বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হল। পরবর্তীতে কৌশল রপ্ত করার পূর্নাঙ্গ পদ্ধতি আলোচনা করা হবে।

Saturday, August 17, 2013

চুম্বনের ইতিবৃত্ত

পাশ্চাত্যের সিনেমা, বই অথবা চিত্রকলায় প্রকাশ্যে অবলীলায় চুম্বনের দৃশ্য দেখতে আমরা অভ্যস্ত। সে তুলনায় আমাদের নিজেদের দেশে এমনকি বেশিরভাগ এশীয় দেশেই আমরা সর্বসমক্ষে এহেন দৃশ্য দেখার কথা কল্পনাও করতে পারি না এবং রক্ষণশীল সমাজে এটিকে দেখাও হয় ওয়েস্টার্ন কালচার হিসেবে। অথচ পাশ্চাত্যের সমাজ চুম্বনের ধারনাটি পেয়েছে কোথা থেকে জানেন? খোদ ভারতবর্ষ থেকেই!
এই তথ্যটি উঠে এসেছে টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির নৃতত্ত্ববিদ্যার অধ্যাপক ভন ব্রায়ান্ট এর রিসার্চ থেকে। তার অধ্যাপনার প্রথম সপ্তাহে তিনি তার ছাত্রদেরকে এমন পাঁচটি সংস্কৃতির উদাহরণ দিতে বলেন সার্বজনীন। তার এক ছাত্র উত্তরে লেখে “সকল সভ্যতার চুম্বনের সংস্কৃতি”।
কিন্তু এটি পড়ার পর অধ্যাপক ব্রায়ান্ট চিন্তা করেন, এ বিষয়ে তার আসলে যথেষ্ট জানা নেই। তিনি এ বিষয়ে লাইব্রেরিতেও তেমন কিছু খুঁজে পাননি। এর পরবর্তী ২০ বছর ধরে তিনি খুঁজে বেড়ান চুম্বনের সঠিক ইতিহাস।
অনেকেই মনে করেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে আমরা যখন প্রিয়জনকে চুম্বন করতে চাই তখন সেই প্রেরণাটি আসে আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি থেকে। কিন্তু অধ্যাপক ব্রায়ান্ট এর মতে, এর সাথে প্রবৃত্তির সংযোগ নেই বরং এটি এমন একটি ক্রিয়া যেটি আমরা শিখি আমাদের পরিবেশ থেকে অর্থাৎ এটি একটি Learned Behavior। চুম্বনের উৎপত্তি ও বিস্তার নিয়ে ২০ বছরব্যাপী গবেষণায় তিনি নিশ্চিত হন যে, চুম্বন সার্বজনীন কোন সংস্কৃতি নয়। তার মতে, ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চুম্বনের চর্চা সীমাবদ্ধ ছিল মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপে। আমেরিকান, অস্ট্রেলিয়ান, এস্কিমো অথবা আফ্রিকানদের মাঝে এর চর্চা ছিল না।
অধ্যাপক ব্রায়ান্ট দাবি করেন, চুম্বনের উৎপত্তি আসলে ভারতে এবং খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬ সালের দিকে আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট পাঞ্জাব জয় করার পর এটি বিস্তার লাভ শুরু করে। আলেকজান্ডারের সেনাপতিরা বাড়ি ফিরে যাবার সময় এই চর্চাটিকেও সাথে করে নিয়ে যায়।
ব্রায়ান্ট তার গবেষণায় লক্ষ্য করেন, হিন্দু ধর্মের মূল শাস্ত্র, বেদ এর কিছু স্থানে উল্লেখ আছে মুখ দিয়ে “স্পর্শ” করার কথা। কামসুত্রের বেশ কিছু স্থানেও দেখা যায় চুম্বন এবং এর কৌশলের উল্লেখ। এগুলোকে ব্রায়ান্ট বিবেচনা করেন সূত্র হিসেবে যেগুলো প্রমান করে যে চুম্বনের উৎপত্তি ভারতেই হয়। এ ছাড়াও তিনি বলেন, “kiss” শব্দটিই আসলে আরেকটি প্রমান, কারণ তিনি ভাষাতাত্ত্বিক প্রমান পেয়েছেন যে এই শব্দটির উৎসও ভারত।
ব্রায়ান্ট তার গবেষণায় ধর্মীয় এবং প্রথাগত ক্ষেত্রে চুম্বনের ইতিহাসও অন্তর্ভুক্ত করেন। যেমন ইহুদিধর্মে ধর্মগ্রন্থ তাওরাত চুম্বনের প্রথা এবং পাশ্চাত্যে মিসেলটো লতার নিচে চুম্বনের চর্চা ইত্যাদি। ১৯২০ সালে জাপানে প্রকাশ্যে চুম্বনের রীতি এতটাই অপরিচিত এবং অস্বাভাবিক মনে করা হত, যে ভাস্কর রডিন এর ভাস্কর্য “The Kiss” প্রদর্শনী করার সময় একে বাঁশের চাটাই দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং শুধুমাত্র বিশেষ অনুমোদন পাবার পরই কাউকে এটি দেখতে দেওয়া হত

হাসপাতালের ভিতর দেহব্যাবসা, পতিতাসহ আটক ৩


হাসপাতালের ভিতর দেহব্যাবসা, পতিতাসহ আটক ৩
শেরপুর প্রতিনিধি :  পতিতাবৃত্তির অভিযোগে শেরপুর জেলা শহরের প্রানকেন্দ্র তেরা বাজার মোড়স্থ ‘পদ্মমনি কমপ্লেক্স’ এর  দোতালায় অবস্থিত ‘আমিনা জেনারেল হাসপাতালের এক স্টাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।


গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আমিনা জেনারেল হাসপাতালের স্টাফ ও মক্ষিরানী সদর উপজেলার কুসুমহাটি এলাকার মজিবুর রহমানের স্ত্রী পান্না বেগম (৩৮), জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নাকসি গ্রামের লালু কোচের মেয়ে জবা কোচ (২৫) এবং সদর উপজেলার তারাগড় গ্রামের আওয়াজ উদ্দিনের ছেলে শহিদুল (২৮)।


পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, রোববার রাতে শেরপুরের ডিবি পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমেনা জেনারেল হাসাপাতালের নিচতলা থেকে জবা কোচ ও শহিদুলকে আটক করে ব্যপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে ওই হাসপাতালের স্টাফ ও মক্ষিরাণী পান্নাকে গ্রেফতার করে। পান্না পরে পুলিশের কাছে ওই হাসপাতালে চিকিৎসার অন্তরালে দেহ ব্যাবসার কথা স্বীকার করেছে বলে ডিবি পুলিশ দাবি করেন।


এলাকাবাসী জানায়, ইতোপূর্বে ওই হাসপাতালের ভিতর থেকে পান্নাকে খদ্দেরসহ আরেক তরুণীকে আটক করলেও সেবার হাসপাতালের মালিক পক্ষের বিপ্লব পান্নাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার আশ্বাস দিলে এলকাবাসী তাদের ছেড়ে দেয়। 


এদিকে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় নারী পাচার ও দেহ ব্যাবসা পরিচালনার ১২ ধারায় মামলা দায়ের করে তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে।


শেরপুরের ডিবি’র ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, আমিনা জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ দিন থেকে চিকিৎসার অন্তরালে দেহ ব্যাবসা পরিচালনা হয়ে আসার অভিযোগ রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে এক অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।


এ ব্যপারে আমিনা জেনারেল হাসপাতালের মলিক বিপ্লব জানান, হাসপাতালে দেহ ব্যবসার বিষয়টি সঠিক না এ অভিযোগ মিথ্যে ভিত্তিহীন। এছাড়া পান্না ব্যক্তিগতভাবে কি করে তা আমার দেখার বিষয় নয়।


উল্লেখ্য,  গত প্রায় আড়াই বছর আগে শেরপুর শহরের  তেরা বাজারে  জামালপুর জেলা সদরের ‘আমিনা জেনারেল হাসপাতাল’টির শাখা স্থাপন করা হয়।

আজ ৭০ কিলোমিটার যানযট : ভোগান্তি চরমে


আজ ৭০ কিলোমিটার যানযট : ভোগান্তি চরমে
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: শনিবার সকাল থেকে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এলাকা থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার সড়কে দীর্ঘ জানযটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার  এ মহাসড়কে ৬০ কিলোমিটার যানজট ছিল। যানবাহন চলছে থেমে থেমে ধীরগতিতে। যাত্রদের ভোগান্তি চরমে পৌছেঁছে।

 ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়িতে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অনেক যাত্রী। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অবস্থা আরো শোচনীয়। ভোগান্তিতে পড়েছে ঈদে ছুটি শেষে বাড়ি ফেরা উত্তরবঙ্গের ২৬ টি জেলাসহ কর্মস্থলে ফেরা মানুষ।

 টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপার থেকে এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল শহর বাইপাস ২৫ কিলোমিটার আধা ঘন্টার রাস্তা আসতে সময় লাগছে ৭/৮ ঘন্টা।

রাস্তায় যানবাহনের চাপ অত্যাধিক বেশি থাকায় টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা ২ ঘন্টার পথ পারি দিতে সময় লাগছে প্রায় ১৪/১৫ ঘন্টা। শুক্রবার বিকেলে মহাখালী বাসটার্মিনাল থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসগুলো শনিবার সকাল ৮/৯টায় টাঙ্গাইল এসে পৌছে।

 রাত ১টার দিকে ছেড়ে আসা সংবাদপত্রের গাড়ি সকাল ১২টার মধ্যেও পৌছতে পারেনি। ভুক্তভোগীদের দাবি এ মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত এমন যানজট নিত্যদিনের হয়ে দাঁড়াবে।

তাই অতিশীঘ্রই এ মহাসড়ক ৪ লেনে করার দাবি সকলের। সার্জেন্ট এস.এম আসাদুজ্জামান জানান শনিবার সকাল ৫ টায় বিআরটিসির একটি বাস মির্জাপুর ধেরুয়া রেলওয়ে চেকপোস্টের কাছে উল্টে গেলে তা অপসারনে প্রায় ২থেকে আড়াই ঘন্টা সময় লাগে, যার কারণে আজকের এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আশা করা যাচ্ছে বিকেল ৩ টার মধ্যে আমরা টাঙ্গাইল অংশটুকু যানজট মুক্ত করতে পারব।

Friday, August 16, 2013

কুয়েত থেকে আসছে ‘নাশকতার টাকা’, গ্রেপ্তার ২

পণ্য নারী

একদম ছোট বেলা থেকে জেনে এসেছি আমার সবচেয়ে বড় খুঁত, আমি 'কালো'। পাঁচ ছয় বছর বয়সেও বুঝতাম, ভীষণ অন্যায় কথা বলছে। তখন কেঁদে ফেলতাম, বা ভীষণ মন খারাপ করতাম। আশে পাশে যদি মা বা বাবা থাকত, তাহলে কারও 'কাল মেয়ে তো' মন্তব্য শোনার সাথে সাথেই আমাকে বুকে টেনে নিত... 'কাল তো কি হয়েছে? গায়ের রং দিয়ে কিছু এসে যায় না, মেয়ে আমার মানুষ হলেই হল।'

এখন ভাবি, কালোকে সুন্দর বলার মত মানসিকতা আমাদের সমাজে এখনও গড়ে ওঠে নি। কেউ কালো হলেই তাকে অন্য গুণ দিয়ে এই ঘাটতি পূরন করতে হয়!

সে যাক গে, যা বলছিলাম। একটু বড় হওয়ার পরে, কালো ডাকায় মন খারাপ দেখানো বন্ধ করেছি বটে, কিন্তু তার পিছনে অস্ট্রেলিয়ার সমাজের হাত আছে অনেক। 'ডার্ক' ডাকা তো রীতিমত কমপ্লি্লমেন্ট। অটো ট্যান, কি যে ব্লেসিং! গায়ের রং আমাদের বাঙালী শ্যামলা কালো হওয়া মানে রং, বর্ণহীন, ফ্যাকাশে সাদার চেয়ে অনেকগুণে প্রানবন্ত। আকর্ষণীয়।

কিন্তু এখানে যে অন্য সমস্যা!

সেদিন ইশির সাথে শপিঙে গিয়েছিলাম। ওই যে, পুতুলগুলো সাজানো থাকে কাপড় চোপড়ে, ওগুলোর একটা দেখে ইশি বলছে, "উফ, আমি হঠাত্‍ ভেবেছিলাম, ওটা বুঝি সত্যি মেয়ে"। আমি বললাম, "হু, কারণটা হচ্ছে, এখনকার মেয়েরা সব দিন দিন পুতুল হয়ে যাচ্ছে।"

সত্যি কিন্তু। চোখ বন্ধ করে ভাবুন বার্বি ডল দেখতে কেমন। সিলকি চুল, উঁচু ভ্রু, পাতলা নাক, সুন্দর ঠোঁট... হাই স্কুল থাকতেই দেখতাম প্রতিটা মেয়ের চুল সিল্কি। প্যান্টিন আর হেয়ার স্ট্রেইটনারের আর্শিবাদ। প্লাক করা একই মাপের ভ্রু। লিপ গ্লস দিয়ে ঠোঁটের রঙ আর আকারও একই রকম করা। এগুলো তো সস্তা উপায়। কিন্তু কিছু কিছু প্রত্যাশা বড় দামী। শরীরের আকার... আওয়ার গ্লাস ফীগার হল প্রত্যাশিত আকার। কয়টা মেয়ে এই প্রত্যাশিত ফিগার নিয়ে জন্মে? সিলিকন দিয়ে শরীরের মাপ বাড়ানো মেয়ের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে (যা করলে শরীরে অনুভূতি কমে যায়। ফলাফল: নিজেকে ১০০% সার্ভিস মেশিন বানানো!) ডায়েট করে, নিজেকে কষ্ট দিয়ে হলেও ওই স্বপ্নের হালকা শরীরটুকু চাই। কারণ সমাজ চায়।

হাতের নখ, পায়ের নখ, মুখের ত্বকের, ত্বকের ছিদ্র, লোম, গোটা.... সব খুঁটি নাটি ব্যাপারে প্রত্যাশার পর প্রত্যাশা। এখন যে ঐশ্বরিয়ার পুতুল সৌন্দর্য্যের যুগ, আগা গোড়া পুতুল, নিখুঁত পুতুল। ওরকম নাক নিয়ে জন্মাও নি, তো কি হয়েছে, প্লাস্টিক সার্জারি করে নাক বদলে ফেল ওই নাক ফুল পরার জন্য! (মজা লাগে, মানুষগুলোর চোখ বদলানোর কথা কেউ যে বলে নি!)

হ্যা, এখন আর বিয়ের আগে চুল টেনে, ঘরের এমাথা থেকে ও মাথা হাঁটিয়ে, পায়ের গোড়ালী দেখিয়ে মেয়ে 'পরখ' করা হচ্ছে না, কিন্তু, যুগের পরিবর্তনের সাথে পরখ করার ধরণ ধারন বদলে গিয়েছে। হাজার গুণ কুত্‍সিত রূপে পুনরোত্থিত হয়েছে।

নারীকে এখন আর অনিচ্ছায়, মাথা নিঁচু করে কপালের দোষ দিয়ে শুধু মেনে নিতে বলা হচ্ছে না বস্তু হিসেবে 'পরিক্ষীত' হওয়ার ব্যাপারটা....

উপরন্তু,

নারীকে সামাজিক উত্‍সাহ দেয়া হচ্ছে এই 'পরিক্ষীত' হওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতে। এখন যে,

মডেল: প্রতিটা নারী

বিউটি প্যারেডের স্থান: কর্মক্ষেত্র, রাস্তাঘাট, শপিংসেন্টার এবং যেখানেই একজন দর্শক আছে

বিচারক: সমগ্র সমাজ!

কি ভীষণ নোংরা এই মানসিকতার বর্তমান বিবর্তিত রূপ!

আমার খুব বিচ্ছিরি লেগেছে যখন কয়েক মাস আগে একজন সনামধন্য, ভীষণ ট্যালেন্টেড 'পুরুষ' ব্লগারের পুরো একটা গবেষণাধর্মী পোস্ট ছাড়লেন মেয়েদের শরীরের মাপ নিয়ে। এবং তাতে সব পুরুষের উত্‍সাহী অংশগ্রহন।

নারী এখন 'পণ্য'। খোলস সর্বস্র। মাপামাপির যোগ্য 'বস্তু'।

ডা ভিঞ্চি কোডসহ ড্যান ব্রাউনের বইগুলো পড়ে খুব মজা পাচ্ছিলাম। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে, নারীকে তার বুদ্ধির ব্যবহার এবং জ্ঞানের জন্য সঠিক মূল্যায়ন করা হচ্ছে... কিন্তু আরেকবার ভাবুন! সেই নারী সহযোগীদের কারো যে খুঁতালো ফিগার নেই সেটা কিন্তু একদম পরিষ্কার করে বলা সাথে সাথেই!

উহু, হিপোক্রিট হবো না। সৌন্দর্যের দরকার নেই, তা বলব না কখনও। কিন্তু এতটুকু জানি, কেউ শারিরীক ভাবে একটু বেশি সুন্দর। কেউ একটু কম। কারো নাক সুন্দর তো কারো চোখ সুন্দর। সব সুন্দরই নিজের মধ্যে আনতে চাইলে মানুষ হওয়ার যেই ভীষণ আনন্দময় অভিজ্ঞতার একটা হলো বৈচিত্র্য দেখা, বৈচিত্রময় হওয়া, অন্যের চেয়ে আলাদা হওয়া, তা কোথা থেকে পাবো? মনোবিজ্ঞানীরা জানেন, বিড়াল, কুকুর আয়নার নিজের চেহারা দেখে চিনে না। সেই দিন চাই না, যখন মানুষ বউ গুলিয়ে ফেলবে। সবগুলো ঐশ্বরিয়া রায়ের ভিড়ে। এই সচেতনতাটা কেবল নারীর ইচ্ছায় হবে না, পুরুষের সবটুকু ইচ্ছা, সহযোগিতা থাকা লাগবে!

আমাদের প্রত্যেকের অনেক ঐশ্বর্য আছে। শারিরীক সৌন্দর্যকে যেমন স্বাস্থ্যকর জীবন পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিক রাখা যায়, তেমনি ব্যক্তিত্ব শারিরীক সৌন্দর্য্য ছাপিয়ে উঠে প্রায়শই...

আমাদের ভালবাসা বাড়াতে হবে 'সুস্থতার' প্রতি, অসুস্থ, কৃত্রিম, অসম্ভব সৌন্দয্যর্ের প্রতি নয়।

কৃতজ্ঞতা: এসব ভাবনা ভাবতাম অনেক আগে থেকেই। কিন্তু যেই ভিডিওটা দেখে সত্যিই মন খারাপ হলো, তা হলো কিলিং আস সফটলি - ৩। মিডিয়া কি করে নারীর মানুষ রূপ প্রতিদিন একটু এবং আরেকটু করে ধ্বংস করছে। নারীকে নেহায়েত বস্তু বানিয়ে ছাড়ছে। খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা ভিডিও। একটু সময় বের করে প্লীজ দেখে ফেলুন লিংকে ক্লীক করে...

ভিডিওটা পেয়ে গেলাম একটা আপুর ব্লগে অনেক দিন পরে গিয়ে। থ্যাঙ্ক য়ু আপু, ইফ য়ু আর রিডিং দিস।

নামে বেদে, নৌকায় ওদের জন্ম, পেশা ভিন্ন

ওরা আজন্ম ভেসে বেড়াচ্ছে, নৌকায় ওদের জন্ম, বয়ঃপ্রাপ্তি, বিয়ে, সংসার গহীন জলেই ওদের শেষ শয্যা। চাঁদপুর নতুন বাজার ও পুরানবাজারে ডাকাতিয়া নদী ও মেঘনার পাড়ে নৌকায় দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বসবাস করছে প্রায় দুশ বেদে পরিবার।চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে কোস্টগার্ড স্টেশন সংলগ্ন স্থান থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাব ঘাট পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৫শ মিটার এলাকা জুড়ে শতাধিক নৌকায় প্রায় দেড়শ বেদে পরিবার এবং চৌধুরীঘাট হতে বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চঘাট পর্যন্ত প্রায় ৪শ মিটার এলাকা জুড়ে শতাধিক বেদে পরিবার নৌকায় বসবাস করছে। এদের পূর্ব পুরুষরা বেদে সম্প্রদায়ের হলেও যুগের স্রোতধারায় বর্তমানে তাদের বহু পরিবার মত্স্যজীবী, ব্যবসায়ী, বেপারী পরিচয় ধারণ করেছে। প্রকৃত বেদেদের যে কাজ যেমন বিভিন্ন তাবিজ দেয়া, বিক্রি করা, সিঙ্গা দেয়া, মাথায় টুকরিতে বিভিন্ন কাঁচের বা প্লাস্টিকের দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে বিক্রয় করা- এসব কাজ তারা এখন আর করেন না।
imagesyy.jpgএসব পরিবারের মহিলারাই সংসার চালানো, আয়-রোজগার করা, ছেলে-মেয়েদের খোঁজ-খবর নেয়া এবং রান্না-বান্না করে থাকে। এক কথায় মহিলারাই সংসারের সকল দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ওরা মাছ শিকারেও দক্ষ। এসব পরিবারের সদস্যদের যেহেতু কোন ভূসম্পত্তি নেই, তাদের জন্ম ও মৃত্যু পানির ওপর নৌকাতেই হয়ে থাকে।
bada2her.jpgএসব সম্প্রদায়ের লোকজন নিজেদের মুসলমান বলে দাবি করলেও ধর্ম সম্পর্কে ওদের বেশিরভাগ লোকেরই সামান্যতম ধারণা নেই বললেই চলে। ওদের বিয়ে, তালাক, সাংসারিক জীবন পদ্ধতি নিয়ে রয়েছে মজার মজার গল্প।
বেদে পরিবারের স্থানীয় সর্দার সালামত সর্দার, খোরশেদ সর্দার, তরবারি সর্দার, নূরু আলী ফকির, রুস্তম আলী হ্যালো-টুডে ডটকমকে জানান, এতদিন তারা দারুণভাবে অবহেলিত ছিলেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তারা ভোটার লিস্টে নাম লিপিবদ্ধ করে ভোটার হয়েছেন। বর্তমানে তাদের ছেলে-মেয়েরা নদীর পাড়েই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত লেখাপড়া করছে। বেদে পরিবারের এমন প্রায় একশ ছেলে-মেয়েকে নিয়মিত লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তুলতে চাঁদপুরের কতিপয় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী প্রতিদিন বিকালে নিজস্ব উদ্যোগে বিনা পয়সায় তাদের পড়াশুনা করাচ্ছেন। তারা তাদের এ সংগঠনটির নাম দিয়েছেন ‘অন্ন, বর্ণ, দুঃস্থ কল্যাণ একাডেমি’।

বলিউডের শাহানা ঢাকার সিনেমায়



 
 

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের নায়িকা শাহানা গোস্বামী এবার অভিনয় করছেন ঢাকার ছবিতে। নাম আন্ডার কনস্ট্রাকশন। ছবিটি পরিচালনা করছেন রুবাইয়াত হোসেন। এর আগে তিনি পরিচালনা করেন মেহেরজান ছবিটি।

গত ২৫ জুলাই ঢাকায় আসেন শাহানা গোস্বামী। কয়েক দিন মহড়ার পর ১ আগস্ট থেকে গুলশানে ছবির শুটিংয়ে অংশ নেন তিনি। শাহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের ছবিতে এবারই প্রথম অভিনয় করছি। দেড় বছর আগে রুবাইয়াতের সঙ্গে আন্ডার কনস্ট্রাকশন ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রথম আলাপ হয়। ছবির গল্পটি শুনে খুব ভালো লেগেছিল। একজন সাধারণ মানুষের আধুনিক জীবনযাপনকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।’

রুবাইয়াত বলেন, ‘শাহানার কয়েকটি ছবি দেখেছি। একজন অভিনয়শিল্পীর মধ্যে কাজের প্রতি যে ত্যাগ আর মমত্ববোধ থাকা দরকার, তার সবই শাহানার মধ্যে রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছি তাঁর মিডনাইট চিলড্রেনস ছবিটি দেখে। আমার ছবির জন্য খুব ত্যাগী একজন অভিনয়শিল্পীর দরকার ছিল, যার সব গুণ শাহানার মধ্যে পেয়েছি।’

আন্ডার কনস্ট্রাকশন ছবিতে শাহানার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পী শাহাদাত।

শাহানা প্রথম অভিনয় করেন নাসিরউদ্দিন শাহ পরিচালিত ইয়ুঁ হোতা তো কেয়া হোতা (২০০৬) ছবিতে। এরপর তিনি অভিনয় করেন হানিমুন ট্রাভেলস প্রা. লি., রক অন, রু বা রু, ফিরাক, মির্চ, ব্রেক কে বাদ, গেম, রা.ওয়ান, মিডনাইটস চিলড্রেনস, হিরোইনসহ আরও কয়েকটি ছবিতে। পেয়েছেন ফিল্মফেয়ারসহ কয়েকটি পুরস্কার।

Thursday, August 15, 2013

শিবির নেতার লিঙ্গ কেটে দিল দুই সাহসী বোন!

দুই বোনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়ে নিজের লিঙ্গ খুইয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ছাত্র শিবিরের সভাপতি মসরুর হোসাইন। এই ঘটনায় এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন থেকে মাসরুরের সাথে স্থানীয় এক প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঐ স্কুল শিক্ষিকা তার ছোট বোনকে নিয়ে মাসরুরের বাসার বেশ কাছেই একটি বাসায় থাকতেন। কাছাকাছি বাস করার সুবাদে মাসরুর প্রায় রাতেই ঐ শিক্ষিকার বাসায় যাতায়াত করতো। এরই মধ্যে ঐ শিক্ষিকার ছোট বোনের দিকে মাসরুরের কুদৃষ্টি পড়ে।
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাসরুর ওই শিক্ষিকার সাথে মেলামেশা করার পর বাসা থেকে বের হওয়ার সময় কৌশলে শিক্ষিকার ছোট বোনের রুমে প্রবেশ করে তাকে জাপটে ধরে। এতে মেয়েটি চিৎকার দিলে ছুটে আসেন ঐ শিক্ষিকা। পরে তারা দুই বোন মিলে মাসরুরের লিঙ্গ কর্তন করে দেন।
তবে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য গভীর রাতেই মাসরুরকে গোপণে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। মাসরুরের স্বজনেরা জানিয়েছেন, অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা মাসরুরের ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। এদিকে মাসরুর ভোর রাতে বাথরুম থেকে পা পিছলে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে ফোনে জানানো হয়েছে নগরীর পুলিশকে। তবে স্থানীয়দের কথা শুনে সত্যতা যাচাই করার জন্য পুলিশ মাসরুরকে ফোন করুলে তিনি উত্তর না দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সানির এক রাতে ১ কোটি রুপি !

এবারে আরও একবার নতুন আলোচনায় উঠে এসেছেন পর্নো তারকা ও বলিউডের অভিনেত্রী সানি লিওন। থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের জন্য সানি এক রাতে দিল্লীর একটি ইভেন্টে পারফর্ম করার জন্য ১ কোটি রুপি সম্মানী দাবি করেছেন।

এ প্রসঙ্গে সানি বলেছেন, নতুন বছর উপলক্ষ্যে সারা দেশ আনন্দে মেতে উঠবে। আমি দিল্লীর এ ইভেন্টে পারফর্ম করার প্রস্তাব পাওয়ার পর ১ কোটি রুপি সম্মানী চেয়েছি। আমার মনে হয়, এটা থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে তেমন কোনো অর্থ নয়।

সানি টাকার অঙ্কে খুবই সিরিয়াস। সানি লিওন ১ কোটি রুপি পেলেই দিল্লীর এ ইভেন্টে সশরীরে পারফর্ম করবেন। এমনটাই জানিয়েছে এদিকে সানির নির্ভরযোগ্য সূত্র

পিকনিক স্পটে দেহ ব্যবস্যা


 পিকনিক স্পটে দেহ ব্যবস্যা
দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পিকনিক স্পট সপ্নপুরীতে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা চললেও প্রশাসনের কোন উদ্যোগ ছিলো না। গত ১৪ আগষ্ট শামিম হোসেন (৩০) নামের এক ব্যক্তি ভূয়া স্ত্রী পরিচয় দিয়ে এক নারীসহ চাদনী আবাসিক ভবনের ৯ নং কক্ষে থাকা কালীন তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

পরে পুলিশ শামীমের মৃত দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ এসময় শামিমের ভূয়া স্ত্রী পার্বতীপুর উপজেলার সুলতানপুর সরদারপাড়া এলাকার নুরুলের কন্যা বেবী নাজনীন (১৮) কে আটক করে।

নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, শামিম ও বেবী নাজনীন দিনাজপুর স্বপ্নপুরী চাদনী আবাসিকের ৯ নং কক্ষ ভাড়া দিয়ে থাকে। রাতে দুজনে এক সাথে ঘুমিয়ে পড়লে সকালে শামিমের ঝুলন্ত লাশ দেখে বেবী চিৎকার করে উঠে। মৃত শামীম গাজিপুরের ঠিকানা দিয়ে থাকলেও আটকৃত বেবী জানায় তার আসল বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়।

এদিকে পর্যটক ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর স্বপ্নপুরীর আবাসিক কক্ষ গুলোতে দীর্ঘদিন থেকে অসামাজিক কার্যক্রম (দেহব্যবসা) হয়ে আসছিলো। স্বপ্নপুরী কতৃপক্ষ কতৃক এসকল ব্যবসা পরিচালনা হয়ে থাকে বলে জানাযায়।

স্বপ্নপুরীতে অসামাজিক কার্যক্রম (দেহ ব্যবসা) হয় খবরটি দেশের সকল প্রান্তে ছড়িয়ে যায়। দেহব্যবসার সংবাদটি ছড়িয়ে গেলে বিভিন্ন স্থান থেকে অসামাজিক কার্যক্রম করতে এখানে আসে। এখানকার আবাসিকে স্বপ্নপুরী কর্তৃপক্ষ অবস্থানরতদের জন্য দেহ ব্যবসায়ী জোগান দেন।

আবার অনেকে নিজেরাই নারী নিয়ে আসে কক্ষ ভাড়া করে থাকে। এভাবে দীর্ঘদিন থেকে দেহ ব্যবসা করে আসছে দিনাজপুর স্বপ্নপরী কতৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞরা ধারনা করছে , শামিম ও বেবী দুজনে দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন্যই স্বপ্নপুরী চাদনী আবাসিকের ৯ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেয়। পরবর্তীতে কোন একটি ঘটনা ঘটেছে যা স্বপ্নপুরী কতৃপক্ষ ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

দিনাজপুর স্বপ্নপরী বিনোদন কেন্দ্রে দীর্ঘদিন থেকে দেহব্যবসা চলছে স্থানীয় প্রশাসনের কোন নজরদারী না থাকার কারন দেখতে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন স্বপ্নপুরী কতৃপক্ষের কাছ থেকে মাসোআরা পেয়ে থাকেন। আর স্থানীয় এল্কাাবাসী সকল বিষয় জানা সর্তেও স্বপ্নপুরী মালিক কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় কোন উদ্যোগ নিতে সাহস পায়না।

উল্লেখ্য যে, মৃত শামীম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসিন্দা ও কেয়া কসমেটিকস এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন।

Wednesday, August 14, 2013

অন্ধকার জগতে বিপাশা হায়াৎ

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়ে পড়েছে বিপাশা হায়াতের অন্ধকার জগতের খবর। ফলে কিছুদিন ধরে বেশ সমস্যায় আছেন বিপাশা হায়াৎ।

কেননা এতদিন মুখোশ পড়ে থাকলেও তৌকিরের সামনে ক্রমেই তার মুখোশ খুলে যাচ্ছে। শত চেষ্টা করেও আর আড়াল করতে পারছেন না নিজেকে। তার ফেলে আসা অন্ধকার জগত ক্রমেই প্রকাশিত হয়ে যাচ্ছে। এমনই এক গল্প নিয়ে নাটক ‘মুখোশ জীবন’।

মাহমুদ দিদারের রচনা ও পরিচালনায় এই নাটকে অভিনয় করেছেন- তৌকির আহমেদ, বিপাশা হায়াত, কুমকুম হাসান প্রমুখ।

এতে দেখা যাবে, ‘নিরুপার স্বপ্ন ছিল একজন বড় আর্টিস্ট হবে। আনালের সাথে সংসার ধর্ম করতে এসেই সে বাণিজ্যিক মুখোশ আঁকিয়ে হয়। আর্টিস্ট হয়ে ওঠে না। আনাল চায় স্ত্রীর আকা-আঁকির ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা জমাতে। একদিন হ্যালোইন উৎসবের জন্য কিছু বীভৎস মুখোশের অর্ডার করে এক ক্লায়েন্ট। বিকৃত, বীভৎস মুখচ্ছবি নিরুপা আঁকতে চায় না। সে ভীষণভাবে এর প্রতিবাদ করে। কিন্তু আনাল চায় মুখোশগুলো ডেলিভারি দিয়ে বেশ কিছু অর্থ হাতিয়ে নিতে। নিরুপাকে বাধ্য করা হয় আঁকতে। সে তাঁর পিছনের জীবনে ফিরে যায়। এ এক অন্ধকার জগত। যে কথা সে কাউকে বলে

মডেল শখের নগ্ন ভিডিও, গুঞ্জন না সত্যি?

মডেল অনিকা কবির শখের নগ্ন ভিডিও, গুঞ্জন না সত্যি? মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন এখনও থামেনি এ বিষয়ে। তবে, যাই হোক, একথা সত্যি যে, নৈতিক অধপতনের শেষ সীমার শেষপ্রান্তে চলেছে মিডিয়ায় কিছু মানুষ, সে টাকার প্রলোভন হোক অথবা অন্যকিছুর। তা না হলে, প্রভা, চৈতি এরকম করবে কেন? এবার উঠেছে শখের নাম। ইন্টারনেট কোন সাইট এ এ ব্যাপারে কোন ভিডিও না থাকলেও শোনা গেছে যে মোবাইল এর মাধ্যমে এ ভিডিও আজ মানুশের হাতে হাতে।
 
যারা ভিডিওটি দেখেছে তারা বিভিন্ন ব্লগে দাবি করেছেন যে, ভিডিওটি শখেরই। প্রায় ২ মিনিট ২ সেকেন্ড ব্যাপী এ ভিডিওটিতে যে পুরুষটি আছে সেই এই ভিডিও চিত্রটি ধারন করেছেন। কিন্তু পুরুষটির কোন ছবি এই ভিডিওচিত্রে ছিল না।
 
 
 
ব্লগাররা এই বিষয়ে তর্ক-বিতর্কে মেতে উঠেছেন বিভিন্ন ব্লগে, অনেকে বলেছেন, ভিডিওটি নকল, আবার অনেকে বলেছেন ভিডিওটি আসল, তবে আসল নকল যাই হোক, তারকাদের এই নৈতিক অধঃপতন, সাধারণ মানুষের চোখে তাদের অবস্থানকে অনেক নিচে নামিয়ে দেয়, একথা বলাই বাহুল্য!!

সামাজিক পোশাক ছেড়ে চিনারা এখন নগ্ন বিয়েতে মেতেছেন


spacer image
সামাজিক পোশাক ছেড়ে চিনারা এখন নগ্ন বিয়েতে মেতেছেন
বিনোদন ডেস্ক: দারুণ সুন্দর একটা পোশাক পরে, দামি আংটি পরে বিয়ে করতে যাওয়াটা আর পছন্দ করেছেন না চিনের সাধারণ মানুষ। আর তাই দিন দিন বাড়ছে নগ্ন বিবাহের চাহিদা। চিনের মানুষ মনে করছেন নগ্ন বিবাহ করলে মনের টান বেশি বাড়ে।

`নেকেড ম্যারেজট বা নগ্ন বিবাহ । শব্দটাকে ভুল বুঝবেন না। নগ্ন বিবাহ মানে অকোন বাড়ি, গাড়ি, হিরের আংটি এবং বিয়ের উপযুক্ত পোশাক ছাড়াই বিয়ে করা। এই ধরনের বিয়ে মানে ছবি তোলা এবং বিয়ের নিবন্ধন পত্র নেওয়া। নগ্ন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বলতে এইটুকুই।

খবরে প্রকাশ এই নগ্ন বিবাহ পদ্ধতিতে শেষ দু মাসে প্রায় দেড় লক্ষ চিনা মানুষ আবদ্ধ হয়েছেন।