টাইমস
ওয়ার্ল্ড : সম্প্রতি মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে লিবিয়া, ইরাক, পাকিস্তান ও
সৌদি আরবের কয়েকটি কারাগার ভেঙে হাজার হাজার আল-কায়েদা সন্ত্রাসীর
পালিয়ে যাওয়ার যে খবর এসেছে তার পেছনে একটি দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর হাত
ছিল।
এসব সন্ত্রাসীকে সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পাঠানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে জেল ভাঙার ঘটনাগুলো ঘটে বলে নতুন করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
অস্ট্রিয়ার দৈনিক ডারস্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় একটি দেশের সহযোগিতায় জেল ভাঙার ঘটনাগুলো ঘটেছে। দৈনিকটি ওই দেশের নাম উল্লেখ না করে বলেছে, সিরিয়ায় আল-কায়েদা গোষ্ঠীর সহযোগী সংস্থা আন-নুসরার পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য এসব দাগী অপরাধীকে কারাগার থেকে বের করে আনা হয়েছে।
গত ২৯ জুলাই পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত ডেরা ইসমাইল খান কারাগার ভেঙে অন্তত ২৫০ জঙ্গী পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে আল-কায়েদা গোষ্ঠীর ৪৮ শীর্ষ কমান্ডার ছিল।
এর দু’দিন আগে ২৭ জুলাই লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বেনগাজি শহরের একটি কারাগার ভেঙে পালিয়ে যায় এক হাজারেরও বেশি কয়েদি; এদের বেশিরভাগই ছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য।
ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ আগে ২২ জুলাই ইরাকের তাজি ও আবু গারিব কারাগারে আল-কায়েদার সন্ত্রাসীরা মর্টার ও মেশিনগান দিয়ে হামলা চালিয়ে শত শত সন্ত্রাসীকে বের করে নিয়ে যায়।
ডারস্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় এসব কয়েদিকে এই শর্তে মুক্ত করা হয়েছে যে, তারা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর দু’বছর পরও এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ততপরতা অব্যাহত থাকার কারণ সম্পর্কে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও তার শাখা-প্রশাখাগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে ইয়েমেন ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের আল-কায়েদা অবস্থানের ওপর ড্রোন হামলা চালু থাকা সত্ত্বেও আল-কায়েদা গোষ্ঠীকে নির্মূল করা যাচ্ছে না।
অস্ট্রিয়ার দৈনিকটি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র রেডিও তেহরানকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, আঞ্চলিক দেশগুলো থেকে আল-কায়েদার সন্ত্রাসীদের জড়ো করে সিরিয়ায় পাঠানোর মূল কাজটি করছে সৌদি আরব। এসব সূত্র জানিয়েছে, সৌদি গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স বন্দর বিন সুলতান ব্যক্তিগতভাবে এ কাজের তদারকি করছেন।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স সৌদ আল-ফয়সাল গত ২৫ জুন বলেছিলেন, সিরিয়া সরকারের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে দেশটিতে ততপর আল-কায়েদা সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন।
এসব সন্ত্রাসীকে সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পাঠানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে জেল ভাঙার ঘটনাগুলো ঘটে বলে নতুন করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
অস্ট্রিয়ার দৈনিক ডারস্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় একটি দেশের সহযোগিতায় জেল ভাঙার ঘটনাগুলো ঘটেছে। দৈনিকটি ওই দেশের নাম উল্লেখ না করে বলেছে, সিরিয়ায় আল-কায়েদা গোষ্ঠীর সহযোগী সংস্থা আন-নুসরার পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য এসব দাগী অপরাধীকে কারাগার থেকে বের করে আনা হয়েছে।
গত ২৯ জুলাই পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত ডেরা ইসমাইল খান কারাগার ভেঙে অন্তত ২৫০ জঙ্গী পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে আল-কায়েদা গোষ্ঠীর ৪৮ শীর্ষ কমান্ডার ছিল।
এর দু’দিন আগে ২৭ জুলাই লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বেনগাজি শহরের একটি কারাগার ভেঙে পালিয়ে যায় এক হাজারেরও বেশি কয়েদি; এদের বেশিরভাগই ছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য।
ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ আগে ২২ জুলাই ইরাকের তাজি ও আবু গারিব কারাগারে আল-কায়েদার সন্ত্রাসীরা মর্টার ও মেশিনগান দিয়ে হামলা চালিয়ে শত শত সন্ত্রাসীকে বের করে নিয়ে যায়।
ডারস্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় এসব কয়েদিকে এই শর্তে মুক্ত করা হয়েছে যে, তারা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর দু’বছর পরও এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ততপরতা অব্যাহত থাকার কারণ সম্পর্কে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও তার শাখা-প্রশাখাগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে ইয়েমেন ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের আল-কায়েদা অবস্থানের ওপর ড্রোন হামলা চালু থাকা সত্ত্বেও আল-কায়েদা গোষ্ঠীকে নির্মূল করা যাচ্ছে না।
অস্ট্রিয়ার দৈনিকটি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র রেডিও তেহরানকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, আঞ্চলিক দেশগুলো থেকে আল-কায়েদার সন্ত্রাসীদের জড়ো করে সিরিয়ায় পাঠানোর মূল কাজটি করছে সৌদি আরব। এসব সূত্র জানিয়েছে, সৌদি গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স বন্দর বিন সুলতান ব্যক্তিগতভাবে এ কাজের তদারকি করছেন।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স সৌদ আল-ফয়সাল গত ২৫ জুন বলেছিলেন, সিরিয়া সরকারের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে দেশটিতে ততপর আল-কায়েদা সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন।