র্যাব বলছে, নাশকতা সৃষ্টির কাজে খরচের জন্য কুয়েত থেকে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- ডা. মো. আব্দুর রহমান (৫২)ও তার ছেলে মো. আরিফুর রহমান(২২)।
আব্দুর রহমানের মামা আব্দুল জব্বার ঢাকা মহানগর জামায়াতের একজন রুকন বলে জানিয়েছে র্যাব।
শুক্রবার
মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৪ এর উপ অধিনায়ক লেফটেনেন্ট কমান্ডার কে
এম তানভীর আনোয়ার দাবি করেন, রহমান ও আরিফ দুজনেই জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।
বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর-২ এর ন্যাশনাল হাউজিং অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
“যুদ্ধাপরাধীদের
বিচার বানচাল করতে এবং দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য জামায়াত-শিবির
নাশকতার পরিকল্পনা করছে। এসব কর্মকাণ্ডে প্রচুর জনবল, অস্ত্র, বিস্ফোরক
প্রয়োজন।”
কুয়েত থেকে পাঠানো জামায়াত নেতার দুই লাখ টাকা নাশকতা
সৃষ্টির কাজেই ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল বলে উল্লেখ করেন র্যাব কর্মকতা
তানভীর।
তিনি বলেন, রহমান ও আরিফ ওই টাকা কর্মীদের মধ্যে বণ্টনের দায়িত্বে ছিলেন। এ কারণেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার ঠেকাতে জামায়াতে ইসলামী
গত ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে ব্যাপক নাশকতা চালায়। দেশের যোগাযোগ
অবকাঠামো. সরকারি কার্যালয় ও পুলিশকে লক্ষ্য করে জামায়াত কর্মীদের হামলা
সংঘর্ষে এ পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক লোক হতাহত হয়েছে।
No comments:
Post a Comment