Thursday, August 22, 2013

এখানে যৌনতা আছে, সমকামিতা রয়েছে

তাঁর প্রথম ছবি “গান্ডু” পড়েছিল সরকারি রোষের মুখে। অন্য দিকে, রবীন্দ্রনাথের “তাসের দেশ”-ও তাই! এই আশ্চর্য সমাপতনই কি পরিচালক কিউ-কে বাধ্য করল “তাসের দেশ”-কে চলচ্চিত্রায়িত করতে? ১৯৩৩ সালে ৭১ বছর বয়সে যখন রবীন্দ্রনাথ একটি নাটক লিখছেন যেখানে একটি দেশে রাজা তাঁর প্রজাদের এবং রাজ্যটিকে একটি নিষ্প্রাণ নিয়মের নিগড়ে বেঁধে ফেলেছেন। আশ্চর্য সমাপতন হিসেবে সেই বছরেই পৃথিবীর ইতিহাসে হিটলারের উত্থান ঘটল। ২২শে মার্চ প্রথম কনসেনট্রেশন ক্যাম্প খোলা, ২৬শে মে গেস্তাপো বাহিনীর প্রতিষ্ঠা, ১০ই মে বার্লিনের রাস্তায় নাৎসিদের অপছন্দের বই পোড়ানো উৎসব। সে নাটক “তাসের দেশ”। বলাই বাহুল্য, নাৎসি আগ্রাসনের মুখে “তাসের দেশ” ছিল এবং রবীন্দ্রনাথের বই জার্মানিতে নিষিদ্ধ হয়। সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিগুণা সেন সভাগৃহে তাঁর নতুন ছবি সেই “তাসের দেশ” নিয়ে এমনতর নানা তথ্য ও যুক্তির কথা জানালেন পরিচালক কিউ।
ছবির একটি অন্যতম চরিত্র হরতনী, ঋ-এর কথায়, “এই সিনেমায় প্রথম আমি এমন একটি চরিত্র করছি যেগুলো আগের থেকে একেবারেই আলাদা। আমি হরতনী। প্রথম ক্লাসিক নাটক থেকে সিনেমায় উত্তরণ। এখানে যৌনতা আছে, সমকামিতা রয়েছে। কিন্তু সেটাই মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠেনি, মূল বিষয়ের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে এসেছে। তাতে যদি কেউ আপত্তি করেন করতেই পারেন”।

No comments:

Post a Comment