গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আমিনা জেনারেল হাসপাতালের স্টাফ ও মক্ষিরানী সদর উপজেলার কুসুমহাটি এলাকার মজিবুর রহমানের স্ত্রী পান্না বেগম (৩৮), জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নাকসি গ্রামের লালু কোচের মেয়ে জবা কোচ (২৫) এবং সদর উপজেলার তারাগড় গ্রামের আওয়াজ উদ্দিনের ছেলে শহিদুল (২৮)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, রোববার রাতে শেরপুরের ডিবি পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমেনা জেনারেল হাসাপাতালের নিচতলা থেকে জবা কোচ ও শহিদুলকে আটক করে ব্যপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে ওই হাসপাতালের স্টাফ ও মক্ষিরাণী পান্নাকে গ্রেফতার করে। পান্না পরে পুলিশের কাছে ওই হাসপাতালে চিকিৎসার অন্তরালে দেহ ব্যাবসার কথা স্বীকার করেছে বলে ডিবি পুলিশ দাবি করেন।
এলাকাবাসী জানায়, ইতোপূর্বে ওই হাসপাতালের ভিতর থেকে পান্নাকে খদ্দেরসহ আরেক তরুণীকে আটক করলেও সেবার হাসপাতালের মালিক পক্ষের বিপ্লব পান্নাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার আশ্বাস দিলে এলকাবাসী তাদের ছেড়ে দেয়।
এদিকে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় নারী পাচার ও দেহ ব্যাবসা পরিচালনার ১২ ধারায় মামলা দায়ের করে তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে।
শেরপুরের ডিবি’র ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, আমিনা জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ দিন থেকে চিকিৎসার অন্তরালে দেহ ব্যাবসা পরিচালনা হয়ে আসার অভিযোগ রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে এক অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যপারে আমিনা জেনারেল হাসপাতালের মলিক বিপ্লব জানান, হাসপাতালে দেহ ব্যবসার বিষয়টি সঠিক না এ অভিযোগ মিথ্যে ভিত্তিহীন। এছাড়া পান্না ব্যক্তিগতভাবে কি করে তা আমার দেখার বিষয় নয়।
উল্লেখ্য, গত প্রায় আড়াই বছর আগে শেরপুর শহরের তেরা বাজারে জামালপুর জেলা সদরের ‘আমিনা জেনারেল হাসপাতাল’টির শাখা স্থাপন করা হয়।
No comments:
Post a Comment