স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন থেকে মাসরুরের সাথে স্থানীয় এক প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঐ স্কুল শিক্ষিকা তার ছোট বোনকে নিয়ে মাসরুরের বাসার বেশ কাছেই একটি বাসায় থাকতেন। কাছাকাছি বাস করার সুবাদে মাসরুর প্রায় রাতেই ঐ শিক্ষিকার বাসায় যাতায়াত করতো। এরই মধ্যে ঐ শিক্ষিকার ছোট বোনের দিকে মাসরুরের কুদৃষ্টি পড়ে।
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাসরুর ওই শিক্ষিকার সাথে মেলামেশা করার পর বাসা থেকে বের হওয়ার সময় কৌশলে শিক্ষিকার ছোট বোনের রুমে প্রবেশ করে তাকে জাপটে ধরে। এতে মেয়েটি চিৎকার দিলে ছুটে আসেন ঐ শিক্ষিকা। পরে তারা দুই বোন মিলে মাসরুরের লিঙ্গ কর্তন করে দেন।
তবে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য গভীর রাতেই মাসরুরকে গোপণে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। মাসরুরের স্বজনেরা জানিয়েছেন, অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা মাসরুরের ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। এদিকে মাসরুর ভোর রাতে বাথরুম থেকে পা পিছলে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে ফোনে জানানো হয়েছে নগরীর পুলিশকে। তবে স্থানীয়দের কথা শুনে সত্যতা যাচাই করার জন্য পুলিশ মাসরুরকে ফোন করুলে তিনি উত্তর না দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
No comments:
Post a Comment