পরে পুলিশ শামীমের মৃত দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ এসময় শামিমের ভূয়া স্ত্রী পার্বতীপুর উপজেলার সুলতানপুর সরদারপাড়া এলাকার নুরুলের কন্যা বেবী নাজনীন (১৮) কে আটক করে।
নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, শামিম ও বেবী নাজনীন দিনাজপুর স্বপ্নপুরী চাদনী আবাসিকের ৯ নং কক্ষ ভাড়া দিয়ে থাকে। রাতে দুজনে এক সাথে ঘুমিয়ে পড়লে সকালে শামিমের ঝুলন্ত লাশ দেখে বেবী চিৎকার করে উঠে। মৃত শামীম গাজিপুরের ঠিকানা দিয়ে থাকলেও আটকৃত বেবী জানায় তার আসল বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়।
এদিকে পর্যটক ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর স্বপ্নপুরীর আবাসিক কক্ষ গুলোতে দীর্ঘদিন থেকে অসামাজিক কার্যক্রম (দেহব্যবসা) হয়ে আসছিলো। স্বপ্নপুরী কতৃপক্ষ কতৃক এসকল ব্যবসা পরিচালনা হয়ে থাকে বলে জানাযায়।
স্বপ্নপুরীতে অসামাজিক কার্যক্রম (দেহ ব্যবসা) হয় খবরটি দেশের সকল প্রান্তে ছড়িয়ে যায়। দেহব্যবসার সংবাদটি ছড়িয়ে গেলে বিভিন্ন স্থান থেকে অসামাজিক কার্যক্রম করতে এখানে আসে। এখানকার আবাসিকে স্বপ্নপুরী কর্তৃপক্ষ অবস্থানরতদের জন্য দেহ ব্যবসায়ী জোগান দেন।
আবার অনেকে নিজেরাই নারী নিয়ে আসে কক্ষ ভাড়া করে থাকে। এভাবে দীর্ঘদিন থেকে দেহ ব্যবসা করে আসছে দিনাজপুর স্বপ্নপরী কতৃপক্ষ।
বিশেষজ্ঞরা ধারনা করছে , শামিম ও বেবী দুজনে দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন্যই স্বপ্নপুরী চাদনী আবাসিকের ৯ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেয়। পরবর্তীতে কোন একটি ঘটনা ঘটেছে যা স্বপ্নপুরী কতৃপক্ষ ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
দিনাজপুর স্বপ্নপরী বিনোদন কেন্দ্রে দীর্ঘদিন থেকে দেহব্যবসা চলছে স্থানীয় প্রশাসনের কোন নজরদারী না থাকার কারন দেখতে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন স্বপ্নপুরী কতৃপক্ষের কাছ থেকে মাসোআরা পেয়ে থাকেন। আর স্থানীয় এল্কাাবাসী সকল বিষয় জানা সর্তেও স্বপ্নপুরী মালিক কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় কোন উদ্যোগ নিতে সাহস পায়না।
উল্লেখ্য যে, মৃত শামীম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসিন্দা ও কেয়া কসমেটিকস এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন।
No comments:
Post a Comment