বুধবার পরিকল্পনা কমিশনে এক সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রামীণ
ব্যাংকের একটা বিষয়ে বিধি করতে হবে। সেটা হচ্ছে ‘হাউ টু ইলেক্ট দ্য বোর্ড
অব ডিরেক্টরস’। কারণ ‘দেয়ার ইজ নো রুল এট দ্য মোমেন্ট’। কয়েক দিনের মধ্যেই
বিধি করা হবে। বলা যায় ঈদের পরপরই করা হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা কিংবা ব্যবস্থাপনায় কোনো পরিবর্তন করার ইচ্ছা সরকারের নেই।
“ সেখানে সরকারের ২৫ শতাংশ শেয়ার আছে। আমরা সেই ২৫ শতাংশেই থাকব। আগে আমরা (সরকার) শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগ করি নাই। তাতে কিছু অসুবিধা হয়েছে। সরকারের মূলধন বাড়েনি। কিন্তু সেই অসুবিধা সরকারের চেয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের বেশি।”
সরকার গ্রামীণ ব্যাংককে ভেঙে ফেলতে চাইছে- মুহাম্মদ ইউনূসের এমন অভিযোগ পুরোপুরি তার ‘মস্তিষ্কপ্রসূত’ বলেও মন্তব্য করেন মুহিত।
“ দিস ইজ আটারলি ননসেন্স। ইউনূস সাহেব সেদিন থেকে দুটো কথা বারবার বলছেন। সরকার গ্রামীণ ব্যাংক দখল করতে চায়, সরকার এটা করতে চায়, ওটা করতে চায়। এগুলো মিথ্যা কথা, সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার ধরন পরিবর্তনের কোনো অভিপ্রায় সরকারের নেই।”
মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ ব্যাংক যখন প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন সরকার ৬০ শতাংশ শেয়ার ছিল। আর ৪০ শতাংশ শেয়ার ছিল শেয়ারহোল্ডারদের। এরপর ব্যাংকের চার্টারে সংশোধনী আনা হয়। এখনো সেটাই আছে।
১৯৮৩ সালে একটি সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের সূচনা হয়। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্টাকে ‘শান্তি স্থাপন’ বিবেচনা করে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংককে।
এরপর ২০১০ এর ডিসেম্বরে নরওয়ের টেলিভিশনে প্রচারিত একটি প্রামাণ্যচিত্রে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ব্যাংককে দেওয়া বিদেশি অর্থ এক তহবিল থেকে অন্য তহবিলে স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। এরপর দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
এই প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় গত বছর ১৬ মে একটি কমিশন গঠন করে সরকার। গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা ক্ষেত্রে দুর্বলতা ও বাধাগুলো খুঁজে বের করা; সুশাসন, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা; গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আইনি কাঠামো এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করার দায়িত্ব দেয়া হয় এই কমিশনকে।
সাবেক সচিব মো. মামুনুর রশিদকে প্রধান করে গঠিত এই কমিশন ইতোমধ্যে কিছু সুপারিশসহ অন্তবর্তী প্রতিবেদন দিয়েছে। এতে গ্রামীণ পর্ষদ ভেঙে দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংককে ‘টুকরো টুকরো’ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূসের অভিযোগ।
অবসরের মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরও পদে থাকার কারণ দেখিয়ে ২০১১ সালের ২ মার্চ গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব থেকে ইউনূসকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিরুদ্ধে ইউনূস উচ্চ আদালতে গেলেও তা খারিজ হয়ে যায়।
বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালকের সংখ্যা ১২ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে মনোনয়ন দেয় সরকার। বাকি নয় পরিচালক নির্বাচিত হন ঋণগ্রহিতা নারী উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে। শেয়ারধারী এই পরিচালকদের মেয়াদ তিন বছর।
গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরিচালক নির্বাচনসংক্রান্ত খসড়া বিধিমালা প্রণয়নে একটি কমিটি করে সরকার। ওই কমিটি বিধিমালার একটি খসড়া ইতোমধ্যে জমা দিয়েছে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
“ সেখানে সরকারের ২৫ শতাংশ শেয়ার আছে। আমরা সেই ২৫ শতাংশেই থাকব। আগে আমরা (সরকার) শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগ করি নাই। তাতে কিছু অসুবিধা হয়েছে। সরকারের মূলধন বাড়েনি। কিন্তু সেই অসুবিধা সরকারের চেয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের বেশি।”
সরকার গ্রামীণ ব্যাংককে ভেঙে ফেলতে চাইছে- মুহাম্মদ ইউনূসের এমন অভিযোগ পুরোপুরি তার ‘মস্তিষ্কপ্রসূত’ বলেও মন্তব্য করেন মুহিত।
“ দিস ইজ আটারলি ননসেন্স। ইউনূস সাহেব সেদিন থেকে দুটো কথা বারবার বলছেন। সরকার গ্রামীণ ব্যাংক দখল করতে চায়, সরকার এটা করতে চায়, ওটা করতে চায়। এগুলো মিথ্যা কথা, সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার ধরন পরিবর্তনের কোনো অভিপ্রায় সরকারের নেই।”
মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ ব্যাংক যখন প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন সরকার ৬০ শতাংশ শেয়ার ছিল। আর ৪০ শতাংশ শেয়ার ছিল শেয়ারহোল্ডারদের। এরপর ব্যাংকের চার্টারে সংশোধনী আনা হয়। এখনো সেটাই আছে।
১৯৮৩ সালে একটি সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের সূচনা হয়। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্টাকে ‘শান্তি স্থাপন’ বিবেচনা করে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংককে।
এরপর ২০১০ এর ডিসেম্বরে নরওয়ের টেলিভিশনে প্রচারিত একটি প্রামাণ্যচিত্রে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ব্যাংককে দেওয়া বিদেশি অর্থ এক তহবিল থেকে অন্য তহবিলে স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। এরপর দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
এই প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় গত বছর ১৬ মে একটি কমিশন গঠন করে সরকার। গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা ক্ষেত্রে দুর্বলতা ও বাধাগুলো খুঁজে বের করা; সুশাসন, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা; গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আইনি কাঠামো এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করার দায়িত্ব দেয়া হয় এই কমিশনকে।
সাবেক সচিব মো. মামুনুর রশিদকে প্রধান করে গঠিত এই কমিশন ইতোমধ্যে কিছু সুপারিশসহ অন্তবর্তী প্রতিবেদন দিয়েছে। এতে গ্রামীণ পর্ষদ ভেঙে দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংককে ‘টুকরো টুকরো’ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূসের অভিযোগ।
অবসরের মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরও পদে থাকার কারণ দেখিয়ে ২০১১ সালের ২ মার্চ গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব থেকে ইউনূসকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিরুদ্ধে ইউনূস উচ্চ আদালতে গেলেও তা খারিজ হয়ে যায়।
বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালকের সংখ্যা ১২ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে মনোনয়ন দেয় সরকার। বাকি নয় পরিচালক নির্বাচিত হন ঋণগ্রহিতা নারী উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে। শেয়ারধারী এই পরিচালকদের মেয়াদ তিন বছর।
গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরিচালক নির্বাচনসংক্রান্ত খসড়া বিধিমালা প্রণয়নে একটি কমিটি করে সরকার। ওই কমিটি বিধিমালার একটি খসড়া ইতোমধ্যে জমা দিয়েছে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
No comments:
Post a Comment