নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৩নং ডমুরুয়া ইউনিয়নের মইশাই গ্রামে
বৃহস্পতিবার সকালে প্রেমিক সাহাদাত হোসেন মিন্টুর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন
শুরু করেছে প্রেমিকা জোছনা আক্তার। সে একই গ্রামের দবিদ্র তাজুল ইসলামের
মেয়ে। এদিকে বিয়ের ব্যবস্থা না করলে ছেলের বাড়িতেই আত্মাহুতি দেয়ার হুমকি
দিয়েছে জোছনা আক্তার। প্রেমিকের বাড়িতে অনশনরত জোছনা আক্তার জানায়, ওই
গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সাহাদাত হোসেন মিন্টুর সঙ্গে তার দীর্ঘ এক বছর ধরে
প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এমতাবস্থায় জোছনা আক্তার ৫ মাসের অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জোছনা আক্তার ও তার পরিবার সাহাদাত হোসেন মিন্টুর মা জাহানারা বেগম ঘটনাটি জানালে। জাহানারা বেগম জোছনাকে বিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তার পেটের বাচ্ছা নষ্ট করে পেলে। তাকে পুত্র বধু হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকৃ জানায়। এরপর জোছনা আক্তার গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক সাহাদাত হোসেন মিন্টুর বাড়িতে গিয়ে ওঠে। বাড়িতে ওঠার পর ছেলের মা জাহানারা বেগম ও ছেলের ভাই এমরান হোসেন তাকে ধরে মারধর করেছে।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হলে গতকাল বৃহস্পতিবার এলাকার মেম্বার ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা প্রেমিক সাহাদাত হোসেন মিন্টুর বাড়িতে গিয়ে তার পিতা শাহ আলম ও মাতা জাহানারা বেগমকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু এলাকার কোনো লোকজনের কথাবার্তা না শুনে ঘরে তালা মেরে তারা অন্যাত্র চলে যায়।
এব্যাপারে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরান আলী পিপিএম সাংবাদিকদের জানান, ওই মেয়ের অভিভাবককে আদালতে মামলা করার জন্য বলা হয়েছে ।
এমতাবস্থায় জোছনা আক্তার ৫ মাসের অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জোছনা আক্তার ও তার পরিবার সাহাদাত হোসেন মিন্টুর মা জাহানারা বেগম ঘটনাটি জানালে। জাহানারা বেগম জোছনাকে বিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তার পেটের বাচ্ছা নষ্ট করে পেলে। তাকে পুত্র বধু হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকৃ জানায়। এরপর জোছনা আক্তার গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক সাহাদাত হোসেন মিন্টুর বাড়িতে গিয়ে ওঠে। বাড়িতে ওঠার পর ছেলের মা জাহানারা বেগম ও ছেলের ভাই এমরান হোসেন তাকে ধরে মারধর করেছে।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হলে গতকাল বৃহস্পতিবার এলাকার মেম্বার ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা প্রেমিক সাহাদাত হোসেন মিন্টুর বাড়িতে গিয়ে তার পিতা শাহ আলম ও মাতা জাহানারা বেগমকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু এলাকার কোনো লোকজনের কথাবার্তা না শুনে ঘরে তালা মেরে তারা অন্যাত্র চলে যায়।
এব্যাপারে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরান আলী পিপিএম সাংবাদিকদের জানান, ওই মেয়ের অভিভাবককে আদালতে মামলা করার জন্য বলা হয়েছে ।

No comments:
Post a Comment