ঈদ সামনে, তাই ছিন্তাইকারীদের দৌরাত্ন সমান তালে বেড়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে
সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর ( মানুষ সাধারণত হতভম্ব হয়ে যায়) এবং বিপদজ্জনক হচ্ছে
র্যাব নামধারী ছিন্তাইকারী। গতকাল পাকুল্ল্যাতে নিজেদের ব্যবসা
প্রতিষ্ঠানের একটি গাড়ি এই র্যাব ছিন্তাইকারীদের কবলে পড়ে। এই র্যাব
ছিন্তাইকারীরা Noah model এর মাইক্রোবাস ব্যাবহার করেছিলো এবং আগ্নেয়
অস্ত্রে সুসজ্জিত ছিলো। মির্জাপুর থানায় জিডিও করা হয়েছে। কিন্তু
তারপর......তারপর ছিন্তাইয়ে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা কি আদৌ ফিরে পাওয়া যাবে !?
এক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা নেয়া যায়ঃ
* সাধারনত র্যাব বা পুলিশ
Highway তে ছিন্তাই করার সময় তাদের নিজেদের যানবাহন হিসেবে "মাইক্রোবাস"
অথবা "প্রাইভেট কার" ব্যাবহার করে। গাড়ির নেইম প্লেট বিশেষ কায়দায় পরিবর্তন
করে যাতে সনাক্ত করা না যায়। সরকার প্রদত্ত গাড়ি তারা ব্যাবহার করে না।
এরকম মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কার ব্যবহার করে র্যাবের ছিন্তাইয়ের ঘটনা
অন্যান্য জেলাতেও ইতিপূর্বে ঘটেছে।
...
* রাস্তায় নিজস্ব গাড়িতে বাড়ি যাওয়ার পথে যদি কোন র্যাব বা পুলিশের গ্রুপ
মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কারসহ রাস্তা দাঁড়িয়ে গাড়ি থামানোর সিগ্ন্যাল দেয়,
সেক্ষেত্রে গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত এদের পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়াই শ্রেয়। এই
র্যাব/পুলিশ ছিন্তাইকারীরা সাধারণত গাড়ির পিছু নেয় না।
* এই
সুপার ভক্ষক র্যাব (শুধু নামে রক্ষক) ছিন্তাইকারীরা ছিন্তাইয়ের জন্য
সাধারণত Highway তে জনমানবহীন নির্জন জায়গা বেছে নেয়। কাজেই এই নির্জন
জায়গাগুলোতে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে পার হওয়াই উত্তম।
খুব বলতে ইচ্ছে
করতেছিলো, সরকার কেন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না, কেনই বা এদের বেতন
ভাতা বৃদ্ধি করে না !? আসলে বলাটাই বৃথা। সরকার নিজেই যে একটা ভক্ষক। কাজেই
নিজেদেরকেই এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে হবে। পূর্বসতর্কতা অবলম্বন করাটাই বড়
ব্যাপার।
No comments:
Post a Comment